g সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
উত্পাদন ও মজুত পর্যাপ্ত থাকলেও চাহিদা নেই জ্যাকেটের। ফলে হতাশ নীলফামারীর সৈয়দপুরের জ্যাকেট কারখানার মালিকরা। উদ্যোক্তারা বলছেন, নভেম্বর চলে যাচ্ছে কিন্তু এখন পর্যন্ত শীত পড়া শুরু করেনি। এ অবস্থায় বাজারে সেভাবে জ্যাকেটের চাহিদা তৈরি হচ্ছে না। যার কারণে রপ্তানিতেও ভাটা পড়েছে।
সরজমিনে দেখা যায়, সৈয়দপুর শহরের মুন্সিপাড়া, মিস্ত্রীপাড়া, বাঁশবাড়ি, আতিয়ার কলোনি, গোলাহাট, সাহেবপাড়া, পৌর বাজার, সৈয়দপুর প্লাজা মার্কেটের কারখানাগুলোতে এখন শুধু জ্যাকেট তৈরির কাজ চলছে। শীতকে সামনে রেখে পোশাক শ্রমিকরা জ্যাকেট তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ বিষয়ে সৈয়দপুর রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস মালিক সমিতির সভাপতি আখতার হোসেন খান জানান, শীতকে সামনে রেখে সৈয়দপুরের পাঁচ শতাধিক কারখানায় জ্যাকেট তৈরির কাজ চলছে। প্রতি বছর এখানকার তৈরি জ্যাকেট ভারত, নেপাল ও ভুটানে রপ্তানি করা হয়। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জনপদে যায় এসব জ্যাকেট। এ বছর এখন পর্যন্ত বিদেশ থেকে রপ্তানি আদেশ মিলেনি। বাজারও জমে উঠছে না। ফলে হতাশায় দিন কাটছে জ্যাকেট কারখানার মালিকদের। রপ্তানিকারক মতিয়ার রহমান দুলু জানান, ভারত থেকে এখনো অর্ডার পাননি তিনি। তাই ব্যবসায় মন্দা চলছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অর্ডার মিলছে না। এ বিষয়ে নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি মারুফ জামান কোয়েল বলেন, শংকা বা হতাশ হওয়ার কিছু নেই। শিগিগরই শীত ধেয়ে আসছে, পরে বাজারও জমজমাট হয়ে উঠবে। ফলে এ খাতে লগ্নি করা অর্থ উঠে আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।