টেক্কা দিয়ে সি. এম.-কে তার ইমেজ ক’রে জিরো
ঢাকা এবং সারা দেশে পিঁয়াজ এখন হিরো।
বাগ্ধারাতে ভীষণ কিছু বোঝাতে আজ তবে
‘লঙ্কাকাণ্ড’ না হয়ে তা ‘পিঁয়াজকাণ্ড’ হবে।
মন্ত্রী বলেন ‘নিয়ন্ত্রণে’; পিঁয়াজ বলে, ‘কিসে?
আমি এখন উঠে গেছি দুই শত-চল্লিশে’—
ব্যাপক আমার আলোচনা, ইমেজ আকাশছোঁয়া;
করছে প্রচার আমার খবর বিবিসি আর ভোয়া।
টু-সেঞ্চুরি পার করেছি, হবে কী দর-বাজার
আগামীকাল, কেউ জানে না—কমেস সিকি হাজার!
পিএম করেন রান্নাতে তাঁর পিঁয়াজ দিতে মানা,
কথাটা কি দেশবাসীর নেই মোটেই জানা?
পিঁয়াজবিহীন তরকারি বেশ সুস্বাদুও বটে;
যাওয়া মিছে কী দরকার এ কন্দ-ভজকটে?
তার পরেও দেশের মানুষ এত্তো পিঁয়াজ খাচ্ছে!
গুদামভরা পিঁয়াজগুলো না হয় কোথায় যাচ্ছে?
কেউ দেখে না কারা পিঁয়াজ গুদামজাত করে?
পচিয়ে আবার অন্ধকারে ফেলে নদীর চরে!
জাতির পিতা পেয়েছিলেন দেশে ‘চোরের খনি’
মুনাফাখোর সেই চোরেরা আজো দেশের শনি;
নেহাত্ তাদের লাগামছাড়া লোভের বদৌলতে
পঁচিশ টাকার পিঁয়াজ এখন পুরো আড়াই শতে।
খেলাধুলায় ক্ষেত্রভেদে সব অবস্থানক্রমও—
যে দেশে আজ নবম থেকে এক শ আশিতম;
পিছে ফেলে ভারত, ওমান, লঙ্কা, তুর্কি, ঘানা
পিঁয়াজে তার বিশ্ব রেকর্ড, তাই রে না রে না না!