মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন স্পষ্ট/পাঠযোগ্য করে লিখতে ময়নাতদন্তকারী চিকিত্সককে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের একটি টাইপ কপি ঐ প্রতিবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সকল সিভিল সার্জনকে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলেছে আদালত। এ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন।
২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের খুরুশখুল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম মারা যান। এর আগের দিন তার ওপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহতবস্থায় পরের দিন সে হাসপাতালে মারা যায়। এ ঘটনায় আসামি করা হয় সাইফুলের এক সহপাঠিকে। এ মামলায় কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গত ১২ সেপ্টেম্বর তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন ঐ আসামি। এতে জামিন চাওয়া হয়।
এই জামিন আবেদনের শুনানিকালে হাইকোর্ট মামলার নথি পর্যালোচনা করে। নথি পর্যালোচনাকালে বিচারকগণ দেখতে পান যে, নিহত শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলামের লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট চিকিত্সকের করা বিভিন্ন মন্তব্য পড়ার অযোগ্য। এরপরই হাইকোর্ট উপরোক্ত নির্দেশনা দেয়। পাশাপাশি সাইফুলের সহপাঠিকে ৬ মাসের জামিন দেয় আদালত। আদালতে আরিফের পক্ষে আইনজীবী দাস তপন কুমার ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী শুনানি করেন।