আগের দিনই ভারতকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। সেটা ছিল রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনাল। কিন্তু গতকাল আর খেলায় কোনো টানাপড়েন রইলো না। আফগানিস্তানকে সহজেই হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারায় নাজমুল হাসান শান্তর দল। আগামীকালের ফাইনালে বাংলাদেশ শিরোপার জন্য লড়বে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
আগে ব্যাট করা আফগানিস্তান দারউইশ রসুলির সেঞ্চুরিতে করেছিল ২২৮ রান। জবাবে বাংলাদেশ ৬১ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ বল হাতে দারুণ শুরু করে। ৭৩ রানে তুলে নেয় আফগানদের ৫ উইকেট। হাসান মাহমুদ ও সৌম্য সরকার কাঁপিয়ে দেন আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। এর মধ্যেও পালটা আক্রমণ ধরে রাখেন দারউইশ।
দারউইশ ১২৮ বলে ১১৪ রান করে সৌম্যর শিকার হয়েই ফেরেন। এরপর শেষ দিকে ওয়াহেদউল্লাহ ও তারিক একটা জুটি করে সম্মানজনক স্কোর এনে দেন আফগানদের। বাংলাদেশের পক্ষে হাসান মাহমুদ ও সৌম্য ৩টি করে উইকেট নেন। আর তানভির ইসলাম নেন ২ উইকেট।
জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশ দ্রুতই ১ উইকেট হারিয়ে ফেলে। ১৭ রান করে ফিরে আসেন মোহাম্মদ নাঈম। এরপর অধিনায়ক শান্তর সঙ্গে ১১৬ রানের একটা জুটি করেন সৌম্য। এই বাঁহাতি ওপেনার ৫৯ বলে ৬১ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা। অন্য দিকে শান্ত ৬৮ বলে ৫৯ রান করেন। তিনি ৫টি চার ও একটি ছক্কা মারেন। এই দুই জন ফেরার পর দায়িত্বটা নেন ইয়াসির আলী ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।
ইয়াসির সংযত একটা ইনিংস খেলেন। তিনি ৫৬ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। অন্য দিকে আফিফ ছিলেন মারকুটে মেজাজে। তিনি ৩৬ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৫ রান করে শেষ পর্যন্ত ছিলেন। বাংলাদেশ ৩৯.৫ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আফগানিস্তান : ৫০ ওভারে ২২৮/৯ (দারউইশ ১১৪, ওয়াহেদউল্লাহ ৩৪, তারিক ৩৩; হাসান ৩/৪৮, সৌম্য ৩/৫৮, তানভির ২/৩৩)।
বাংলাদেশ : ৩৯.৫ ওভারে ২২৯/৩ (সৌম্য ৬১, শান্ত ৫৯, আফিফ ৪৫*, ইয়াসির ৩৮*; ওয়াসি ২/৪৬)।
ফল : বাংলাদেশ ৭ উইকেটে জয়ী
ম্যাচ সেরা :সৌম্য সরকার (বাংলাদেশ)।