ফুলবাড়ীতে বাঁশ ও কাঠের তৈরি পাঁচ সাঁকো ঝুঁকিপূর্ণ

ফুলবাড়ীর তিনটি ইউনিয়নে বাঁশ ও কাঠের তৈরি পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এসব সেতু দিয়ে চলাচলে ঐ তিন ইউনিয়নের ৫০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি কান্দাপাড়া ইন্দুর ঘাটে বারোমাসিয়া নদীতে ১০০ ফিট ও কিশামত শিমুলবাড়ী নবিউলের ঘাটে বারোমাসিয়া নদীতে ১২০ ফিট বাঁশের সাঁকো অপরদিকে ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের নগরাজপুর এলাকার নীলকোমল নদীতে ১৫০ ফিট কাঠের সাঁকো ও ভাঙ্গামোড় বামনের খামার এলাকায় টাংয়ারছড়ায় বাঁশের সাঁকো এবং ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বালাতাড়ি এলাকায় নীলকোমল নদীতে কাঠের সাঁকো দিয়ে পঞ্চাশটি গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের নগরাজপুর এলাকার ছলিমুদ্দিন, জালাল উদ্দিন ও বিশ্বজিত্ কুমার জানান, পাঁচ বছর আগে তত্কালীন ইউপি চেয়ারম্যান পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ১৫০ ফিট লম্বা কাঠের সেতুটি নির্মাণ করেছেন। এরপর আর মেরামত হয়নি।

একই ইউনিয়নের বামনের খামার এলাকার সাইদুল হক সরকার ও আমিনুর রহমান জানান, বামনের খামার টাংয়ারছড়ার ওপর দিয়ে ১৬০ ফিট লম্বা বাঁশের সাঁকোটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দুই বছর আগে এই সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে আমেনা বেগম (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আসিফ ইকবাল রাজীব জানান, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি কান্দাপাড়া ইন্দুরঘাট এলাকায় বারোমাসিয়া নদীর ওপর ব্রিজের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেছে। আশা করি আগামী অর্থবছরে নতুন ব্রিজের ব্যবস্থা হয়ে যাবে। বাকিগুলোর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে ঐসব স্থানে ব্রিজের ব্যবস্থা করা হবে।