যশোরের বহুল আলোচিত অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির শিশু সদস্য শহিদুল্লাহকে ২২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার শিশু আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মাহমুদা খাতুন এ সাজা দেন। শহিদুল্লাহ বাগেরহাট মোল্লারহাটের গড়কা গ্রামের মৃত তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি এম. ইদ্রিস আলী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০০৩ সালে ৯ মার্চ ঝিকরগাছার বাঁকড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের কনস্টেবল আবদুল কুদ্দুস ও মোক্তার হোসেন সুমন ডিউটিতে মাটিকুমড়া গ্রামের দিকে যান। এ সময় মোটরসাইকেলসহ জাহিদুল ইসলাম সুমন ও শহিদুল্লাহকে তারা ধরে ক্যাম্পে নিয়ে আসেন। তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে দুটি দেশি পিস্তল, সাতটি পিস্তলের গুলি, ৬৫টি পিস্তলের গুলি খোসা, ১৭টি পিস্তলের গুলির সিসা, সাতটি সুইচ লাগানো তাজা বোমাসহ বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম, বোমায় ব্যবহূত যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে কনস্টেবল আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে আলাদা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ওই দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে আলাদা চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ (১৬) শিশু হওয়ায় নথি পৃথক করে তার বিচার আলাদা করা হয়।