ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ছোবলে তেরখাদা উপজেলার সর্বত্র বিদ্যুত্ বিপর্যয় ঘটেছে। ঘূর্ণিঝড়ের পর প্রায় দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও বিদ্যুত্ বিভাগ শতভাগ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ঝড়ে তেরখাদা উপজেলার আওতায় প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন হয়। দুই শতাধিক বিদ্যুতের পিলার ভেঙে যায় এবং সহস্রাধিক পিলার বাঁকা হয়ে যায়। ৩০০ কিলোমিটারের মতো তার ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হয়। এছাড়া বহু মিটার ভেঙে যায়।
বিদ্যুত্ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আজিজুস সালাম, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মো. আলতাফ হোসেন এবং ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো.ফজলুর রহমান প্রতিদিন উপজেলার বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। তাদের নেতৃত্ব দিয়ে প্রায় ৭৫ জন বিদ্যুত্ কর্মী মাঠে কাজ করছেন। বিদ্যুত্ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করে উপজেলা সদরসহ অনেক এলাকায় এরই মধ্যে বিদ্যুত্ সংযোগ স্থাপন সম্পন্ন করেছেন। দুই একের মধ্যে বাকি কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো. ফজলুর রহমান।
সূত্র জানায়, ১০ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় বুলবুল তেরখাদার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় অগণিত গাছপালা উপড়ে বিদ্যুতের তার এবং পিলারের ওপর পড়ে তা ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে এবং বহু পিলার ভেঙে যায় ও বাঁকা হয়ে যায়। এ ব্যাপারে পল্লি বিদ্যুতের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে তেরখাদায় প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার তার বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন হয়। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা এবং বিদ্যুত্ বিভাগের কর্মচারীদের দিনরাত পরিশ্রমের ফলে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুত্ সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে।