বাংলা বানানের নিয়ম-কানুন

ঊর্ধ্বকমা/লোপচিহ্ন (’)

নাম :ঊর্ধ্বকমা/লোপচিহ্ন

চিহ্ন : (’)

বাক্যে অবস্থান :মধ্যে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।

ফাঁকা (Space) :আগে ও পরে ফাঁকা থাকবে না।

ব্যবহারের নিয়ম :

১. হাইফেনের বিকল গুহিসেবে ঊর্ধ্বকমা ব্যবহূত হয়। যেমন : তার পা’টা কেটে বাদ দিতে হলো।

২. সালের বর্জিত সংখ্যা বোঝাতে ঊর্ধ্বকমা ব্যবহূত হয়।

যেমন : ২৬শে মার্চ ’৭১।

বন্ধনী ([ ], { }, ())

নাম :বন্ধনী

চিহ্ন : ([ ], { }, ())

বাক্যে অবস্থান : পূর্বে, মধ্যে ও শেষে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই ।

ফাঁকা (Space) :আগে ও পরে ফাঁকা থাকবে, তবে ভেতরে ফাঁকা থাকবে না ।

ব্যবহারের নিয়ম :

১.কোনো বক্তব্যকে বিশদভাবে বর্ণনা করার জন্য প্রথম বন্ধনী ব্যবহূত হয় । যেমন :তিনি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) কাজ করেন।

২. অন্যের কথার মধ্যে নিজের কথা ঢোকাতে গেলে তৃতীয় বন্ধনী ব্যবহূত হয়। যেমন:রবীন্দ্রনাথ [রবীন্দ্রনাথ] নভেল [নোবেল] পুরস্কার পেয়েছিলেন।

বিকল্প (/)

নাম :বিকল্প

চিহ্ন : (/)

বাক্যে অবস্থান :মধ্যে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।

ফাঁকা (Space) :আগে ও পরে ফাঁকা থাকবে না।

ব্যবহারের নিয়ম :

দুই বা ততোধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে যে কোনোটি হতে পারে অর্থে বিকল্প চিহ্ন ব্যবহূত হয়। যেমন : তার বয়স ২৫/৩০ বছর হতে পারে।

ধাতু-দ্যোতক (?)

নাম :ধাতু-দ্যোতক

চিহ্ন : (?)

বাক্যে অবস্থান :মধ্যে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।

ফাঁকা (Space) :আগে ফাঁকা থাকবে, তবে পরে ফাঁকা থাকবে না।

ব্যবহারের নিয়ম :

ব্যাকরণের ক্রিয়া মূল বা ধাতু বোঝানোর জন্য বোঝানোর জন্য ব্যবহূত হয়।  যেমন :? কৃ + তব্য = কর্তব্য ।

পরবর্তী রূপবোধক (<)

নাম :পরবর্তী রূপবোধক

চিহ্ন : (<)

বাক্যে অবস্থান :মধ্যে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।

ফাঁকা (Space) :আগে ও পরে ফাঁকা থাকবে না।

ব্যবহারের নিয়ম :

যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে তা বোঝানোর জন্য ব্যবহূত হয়। যেমন :রতন<রত্ন।

পূর্ববর্তী রূপবোধক (>)

নাম :পূর্ববর্তী রূপবোধক

চিহ্ন : (>)

বাক্যে অবস্থান :মধ্যে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।

ফাঁকা (Space) :আগে ও পরে ফাঁকা থাকবে না।

ব্যবহারের নিয়ম :কোথা থেকে উত্পত্তি হয়েছে তা বোঝানোর জন্য ব্যবহূত হয়। যেমন :পক্ষী>পাখি।

সমান (=)

নাম :সমান

চিহ্ন : (=)

বাক্যে অবস্থান :মধ্যে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।