বাঘায় এখন অনেকটা শীত বেড়েছে। ফলে ফুটপাতসহ বড়ো বড়ো শপিংমলে শীতবস্ত্রের দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়।
আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজশাহী অঞ্চলে হালকা শীতের আমেজ চলে আসে এবং চলতি মাসের শুরু থেকে এর প্রকোপ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে।
বাঘার একাধিক ব্যক্তি জানান, সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় প্রচণ্ড শীতে এই উপজেলার মানুষ অনেক কষ্ট পান। তবে বেশি কষ্ট পান উপজেলার দুর্গম পদ্মার চরাঞ্চলের মানুষ।
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা সদরের শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। নিম্নআয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও ছুটছেন উপজেলার মাজার গেট তথা ঐতিহাসিক তেঁতুলতলায় অবস্থিত ফুটপাতে শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে। আর উচ্চবিত্তরা ছুটছেন বড়ো বড়ো শপিং কমপ্লেক্সসহ শহরের বস্ত্র বিতানগুলোতে।
উপজেলার আমোদপুর গ্রামের আলী আকবর, বারখাদিয়া গ্রামের সাজাহান আলী, আড়ানী এলাকার নাছিমা খাতুন ও পীরগাছা গ্রামের জামাল উদ্দিন বলেন, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতবস্ত্রের দাম বেড়ে যায়। তাই এ বছর শীত মৌসুম শুরু হওয়া মাত্র তারা গরম কাপড়ের দোকানে এসেছিলেন। তাদের মতে, এ মুহূর্তে কাপড়ের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। কেনাকাটা করতে সমস্যা হয়নি।