সাত সকালে রবিদার ফোন, ‘এই হিরু, কই রে তুই?’ আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে হিরু বলল, ‘চায়ের পানি গরম হচ্ছে। এই ধরো মিনিট পনেরো। তারপর গরমাগরম চা খাব।’
‘আরে রাখ তোর চা। চা এখানে এসেও খেতে পারবি। নায়িকা দেখবি না?’ রবিদা এমনভাবে কথাটা বলল, যেন হিরুকে সে চিড়িয়াখানায় নিয়ে যাচ্ছে বিরলপ্রজ কোনো প্রাণী দেখাবে বলে! কিংবা হিরুকে সে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত থ্রিডি সিনেমা দেখাতে নিয়ে যাচ্ছে, যার টিকিট পাওয়াটাই দুরূহ ব্যাপার।
হিরু বলল, ‘নায়িকা দেখব বলে সেদিন না তোমার হাতে-পায়ে ধরলাম? আর এখন নায়িকা না দেখলে কি চলে!’
রবিদা আসলে হিরুদের কাছে পার্ট নেওয়ার জন্যই এত ঘটা করে ওদের নায়িকা দেখাতে চাইছে। সময়ের হার্টথ্রব নায়িকা রিয়ামণির সঙ্গে পরিচালক রবি সেনগুপ্তের এমন দহরম-মহরম! সেটা পুরো দেশবাসী জানুক আর না জানুক, হিরুদের যে জানতেই হবে। নইলে ঈদের ছুটিতে কিংবা অন্য সময়ে, যখন সে একটু অবসর পেলেই নাড়ির টানে বাড়িতে ছুটে আসে, তখন হিরুদের সঙ্গে কী করে ভাব নেবে! এলাকায় যে কয়টা দিনই থাকুক না কেন, হিরুদের ওপরে ছড়ি ঘোরাতে হবে না?
হিরুর তীক্ষ কথায় রবিদা দ্বিধান্বিত কণ্ঠে বলল, ‘ইয়ে... সেদিন তো তোদেরকে বললামই। আজ একটু সময় করে আয় না। শুটিং করতে খোদ নিজ এলাকায় চলে এলাম, তাও যদি তোরা গুরুত্ব না দিস! জলদি আয়, তোদের সাথে সবার আলাপচারিতা করিয়ে তারপরেই শুটিং শুরু করব।’
‘বেশ, থাকো তুমি। চা রেডি করো। আমরা আসছি।’
তোতা চাকলাদারের দোকানে বসে তাড়িয়ে তাড়িয়ে এক কাপ ধূমায়িত গরম চা গিলে তারপরেই হিরু স্বদলবলে শুটিংস্পট অভিমুখে যাত্রা শুরু করল।
নায়িকা দেখতে যাবে—এ নিয়ে হিরুর চ্যালাদের মধ্যে উত্তেজনার কমতি নেই। কে কী করবে, কিভাবে নিজেকে নায়িকার সামনে উপস্থাপন করবে—তাই নিয়ে বিস্তর জল্পনা-কল্পনা চলল।
রবিদার তাড়া খেয়ে খেয়ে শেষমেশ শুটিংস্পটে গিয়ে উপস্থিত হলো ওরা। হিরু দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনাদের এখানে গ্রিনরুমটা কোনদিকে?’
‘ঠিক জানি না।’
‘সে কী!’ হিরুরা অবাক। ‘আপনি এই থিয়েটারের দারোয়ানের কাজ করেন না?’
‘তা করি। কিন্তু আমি তো কালার ব্লাইন্ড। কোনটা গ্রিন আর কোনটা রেড, তা বুঝতে পারি না।’
‘দারোয়ানটা ঠিক রবিদার মতোই!’ বিড়বিড় করে বলল হিরু। নিজেরাই অনুমান করে একদিকে পা বাড়াল।
একটু পরেই অদূরে রবিদার কণ্ঠ শোনা গেল। ‘হিরু, এসেছিস তোরা? আয়, এদিকে আয়।’
রবিদা হাসি হাসি মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার ঠিক পাশের চেয়ারটাতে বসে আছে এক সুন্দরী তন্বী। ‘তাহলে ইনিই নায়িকা।’ আগে কখনো এর ছবি-টবি না দেখলেও হিরুর নায়িকাকে চিনতে মোটেও অসুবিধা হলো না।
নায়িকা অন্যদিকে তাকিয়ে আছে। মুখে বিরক্তিভাব ফুটিয়ে রেখেছে।
নায়িকা প্রথমে ওদেরকে একটিবার দেখে নিয়ে এখন ভাব নিচ্ছে—এই ব্যাপারটা বুঝতে হিরুর বেগ পেতে হলো না। ওদিকে রবিদা চা দিতে বলেছে, আর নায়িকার সঙ্গে ওদের পরিচয় পর্বও শুরু করে দিয়েছে।
নায়িকা রিয়ামণি হঠাত্ উত্তেজিত হয়ে উঠল, ‘রবিদা, কী শুরু করলে তুমি! এদের নামধাম জেনে আমার কী হবে! তুমি শুটিং শুরু করবে এখন? নাহলে আমি গেলাম...’
মুহূর্তের মধ্যেই রবিদা ব্যস্ত হয়ে পড়ল। শত হলেও নায়িকার মন রক্ষা করে চলতে হবে। তাড়াহুড়ো করে শট শুরু করে দিল সে। হিরুরা তব্দা মেরে দাঁড়িয়ে রইল।
প্রথম দৃশ্যে নায়ক বারবার ভুল করতে লাগল। রবিদা শেষমেশ নায়ককে বলল, ‘আপনি ভালো করে সংলাপটা মুখস্থ করে নিন। আর...’ সহকারী পরিচালককে ডেকে বলল সে, ‘দৃশ্যটা ওনাকে ভালো করে বুঝিয়ে দাও তো।’
প্রথম দৃশ্যে নায়িকাও টুকটাক ভুল করেছে। তাই নায়কের এত এত ভুলে সে রাগ করতে পারেনি। তবে এখন এমন ভাব করছে যেন হিরুদের কারণেই তার ভুলটা হচ্ছে! এদিকে, রবিদা দ্বিতীয় দৃশ্য ধারণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার আগে হিরুর কাছে এসে কাতর কণ্ঠে বলল, ‘ইয়ে মানে হিরু... তুমি যদি ভিলেনের রোলটা করে দিতে!’
হিরু চমকে উঠল। ‘এ কী বলছ রবিদা? আমি করব ভিলেনের রোল! তোমাদের ভিলেন কোথায়?’
‘ছবিতে ভিলেনকে রিয়ালিস্টিক হিসাবে দেখানোর জন্য একজন সত্যিকারের গুণ্ডাকে হায়ার করেছিলাম। সে হঠাত্ একটা সুপারি পেয়ে পল্টি নিল। তারা নাকি ওকে বেশি টাকা দেবে। আমার কথা শুনলই না।’ নিজের অসহায়ত্বের কথাই প্রকাশ করল রবিদা।
হিরু তখন চোখ কুঁচকে বলল, ‘তাহলে তুমি আমাকে দিয়ে ভিলেন রোল করাবে বলেই সকাল থেকে এত এত খাতিরদারি করছিলে?’
রবিদা এবার ডান হাতের দু আঙুল দিয়ে গলার মাঝের অংশটা ছুঁয়ে বলল, ‘কসম। অমন ইচ্ছে আমার ছিল না। ভিলেন সংকট নিয়ে টেনশনে ছিলাম সত্য। কিন্তু তোকে দিয়ে... না, এমন ভাবনা মনে ছিল না। একটু আগে নায়িকা রিয়ামণি তোকে দেখিয়ে বলল, তুই নাকি এই গল্পের ভিলেন চরিত্রটার জন্য পারফেক্ট!’
‘এই তাহলে ঘটনা।’ দাঁতে দাঁত পিষে বলল হিরু। রবিদার জোরাজুরিতে শেষমেশ ওকে ভিলেনের রোলে অভিনয় করার জন্য রাজি হতে হলো। কিন্তু ব্যাপারটা ওর চ্যালারা মেনে নিতে পারল না। তারা বলল, ‘আমাদের হিরোর মতো দেখতে হিরু ভাই কেন ভিলেন রোলে অভিনয় করবে! উহু, কাভি নেহি।’
দু-একজন যে খুশি হয়নি, তা অবশ্য বলা যাবে না। তারা চেয়েছিল, হিরু ভিলেন রোলে অভিনয় করে পচে যাক!
সকলকে অবাক করে দিয়ে হিরু রাজি হয়ে গেল। নায়িকাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলল, ‘রবিদা, তোমার আগের নায়িকা কই? সুপারস্টার জয়াপুকে রেখে একে নিলে যে! এ তো ইন্ডাস্ট্রিতে জয়াপুর চেয়ে নতুন।’
রবিদা ভাবল, হিরু বুঝি এবার নায়িকা রিয়ামণিকে একগাদা কথা না শুনিয়ে ছাড়বে না। তাই সে প্রসঙ্গ ঘোরাতে বলল, ‘হিরু, তুই ফিল্মস্টার জয়াসেনকে চিনিস নাকি?’
‘চিনব না আবার!’ হিরু যেন মাছি খেদাল। ‘জানো তো, ছোটবেলায় বাবার চাকরিসূত্রে আমরা বছর তিনেক বগুড়ায় ছিলাম। জয়াপুরা তখন আমাদের পাড়াতেই থাকতেন। তখন আমার বয়স ছিল আট বছর, আর উনার উনিশ-কুঁড়ি।’
পাশ থেকে হিরুর চ্যালারা জানতে চাইল, ‘আর এখন?’
হিরু মুচকি হেসে জবাব দিলো, ‘শুনি তো উনার এখন ছাব্বিশ। আমি অবশ্য তিরিশের কাছাকাছি পৌঁছেছি।’
রবিদা মনে মনে ভাবল, ‘যাক বাবা, বাঁচা গেল।’ এই ভেবে সে চলে যেতে উদ্যত হলে পেছন থেকে হিরু হঠাত্ বলে উঠল, ‘শুনেছিলাম জয়াপু আর তোমার নায়িকা নাকি ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। বয়সেও কাছাকাছি!’
রবিদা সুপারস্টার নায়িকা রিয়ামণি ও নবাগত ভিলেন হিরুকে চরিত্র বুঝিয়ে দিচ্ছে। নায়িকা রিয়ামণির মনে তখন প্রতিশোধের আগুন ধক ধক করে জ্বলছে। সে মাঝখান দিয়ে বলে উঠল, ‘আজকাল সবাই সবকিছু রিয়ালিস্টিক চায়।’
রবিদা বলল, ‘তো, আমরাও তো সবকিছু রিয়ালিস্টিকই করছি।’
‘উহু।’ নায়িকা একমত হতে পারল না। ‘ভিলেন যখন আমাকে তুলে নিয়ে যেতে চাইবে, তখন তুমি বলছ—আমি ভিলেনকে কষে এক চড় লাগাব। অথচ, চড় মারার দৃশ্যে তুমি কিনা ডামি ব্যবহার করতে চাইছ!’
রবিদাকে দেখে মনে হলো—সে বেশ চিন্তায় পড়ে গেছে। শেষমেশ নায়িকার প্রস্তাবে রাজি হয় কিনা!
হিরু স্ক্রিপ্টের বাকি দৃশ্যগুলোতে নজর বুলাচ্ছিল। ও হঠাত্ বলল, ‘সবকিছুই রিয়ালিস্টকই হওয়া উচিত, রবিদা।’
রবিদা বলল, ‘তুইও একই কথা বলছিস?’
‘হ্যাঁ।’ হিরু বলল, ‘নায়িকা ভিলেনটা যত জোরে পারে কষে চড় লাগাবে, আর ভিলেনের তাড়া খেয়ে নায়িকা যখন উপায়ান্তর না দেখে ব্রিজের ওপর থেকে নিচে ঝাঁপিয়ে পড়বে, তখন দড়ির ব্যবহার থাকবে না!’
রবিদা নায়িকার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তুমি দৃশ্য ঠিকঠাক করতে পারবে তো, রিয়া...? নিচে অবশ্য ফোমের ব্যবস্থা থাকবে।’
হিরুর কথা শুনে ততক্ষণে নায়িকা রিয়ামণির গলা শুকিয়ে গেছে। সে বড়ো করে একটা ঢোঁক গিলল। মুখে যথাসম্ভব হাসি এনে কোনোরকমে বলল, ‘আরে রবিদা, কী যে বলো না। আমি তো ফান করছিলাম মাত্র!’
ওদিকে নায়কের এখন কঠিন দুর্দশা। সে না পারছে ঠিক মতো ডায়ালগ ডেলিভারি দিতে, না পারছে গানের তালে তালে নাচতে, না পারছে ভিলেনের সামনে দাঁড়িয়ে জোর গলায় তাকে শাসাতে।
সব দেখে হিরু মত দিলো, ‘নায়ক চেঞ্জ করো, রবিদা। তোমার এই নায়ক দিয়ে সিনেমা ওঠাতে পারবে না।’
পাশে বসা ছিল নায়িকা রিয়ামণি। এর মধ্যেই সে হিরুর ওপরে মহাক্ষ্যাপা ক্ষেপে আছে। তাই সে চট করে বলে উঠল, ‘না রবিদা। নায়ক চেঞ্জ করা যাবে না।’
রবিদা বিড়বিড় করে বলল, ‘নায়কের যে অবস্থা, কিছুই পারে না। প্রযোজকের চাপাচাপিতে নিয়েছিলাম ওকে। ওর উচিত শোবিজ লাইনটা ছেড়েই দেওয়া।’
‘কিন্তু তোমার ওই হিরো যে এর মধ্যেই এই লাইনে স্টার হয়ে গেছে!’ নায়িকা রিয়ামণি তখনো হিরোর পক্ষ নিয়ে বসে আছে।
পরের ঘটনাগুলো খুব তাড়াতাড়িই ঘটে গেল। ভিলেন থেকে হিরু হয়ে গেল রবিদার সিনেমার মূল আকর্ষণ—হিরো! ফাটিয়ে অভিনয় করল সে। শুধু তাই নয়, যারা শুটিংস্পটে ছিল, সকলেই হিরুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠল। হিরুর অভিনয়ের আড়ালে হারিয়ে গেল সময়ের সুপারস্টার, কোটি তরুণের ক্রাশ নায়িকা রিয়ামণিও!
বিষয়টা রিয়ামণি কিছুতেই মেনে নিতে পারল না। তাই হিরুর সঙ্গে তখনো সহজ হয়ে উঠতে পারেনি। অন্যদিকে হিরু ভাবল, সিনেমা ভালোভাবে উঠিয়ে নিতে নায়ক-নায়িকার মাঝে হালকা-পাতলা রসায়ন না থাকলে কি চলে! তাই সে অতীত অপমানের কথা ভুলে গিয়ে নায়িকা রিয়ামণির সঙ্গে যথাসম্ভব সহজভাবে মেশার চেষ্টা করল। নায়িকা রিয়ামণির মনে তখনও অহংকার—‘আমার মতো একজন সুন্দরী নায়িকা এমন একজন নবাগতর সাথে অভিনয় করছি! ছিঃ!’ মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল তার।
নায়িকার মনখারাপের বিষয়টা পরিচালকের দৃষ্টি এড়ালো না। সেদিন শুটিং শেষে রবিদা হিরুকে বলল, ‘তুই একটু ওকে নিয়ে গিয়ে এলাকাটা ঘুরিয়ে দেখা। আমাদের এই এলাকার মনোরম দৃশ্য দেখে ওর মনটা ভালো হয়ে যাবে।’
নায়িকা আর হিরু পাশাপাশি হাঁটছে। নায়িকার মনের মধ্যে তখনো জেদ। একটা লেকের পাড় দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাত্ তার মনে হলো—হিরুকে ধাক্কা দিয়ে লেকের পানিতে ফেলে দিলে খারাপ হতো না। হিরু সাঁতার না জানলে তো আরো ভালো!
এমন সময় একটি পিচ্চির সঙ্গে ওদের দেখা। পিচ্চিটা বিপরীত পাশ থেকে এসে ওদেরকে অতিক্রম করার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে হিরুকে চোখ টিপে বলল, ‘হিরু ভাইয়া, গতকাল যাকে নিয়ে আসছিলেন, যার হাত ধরে হাঁটছিলেন, তিনি কিন্তু বেশি সুন্দরী ছিলেন!’
হিরুও এমন একটা ভাব করল যে, এ আর এমন কী। কত কত সুন্দরীই না ওর সঙ্গে ঘুরে বেড়ায়!
কিন্তু পিচ্চির বলা কথাটা নায়িকা রিয়ামণির মনে বেশ প্রভাব বিস্তার করল। ‘কী, হিরু আমার থেকেও সুন্দরী মেয়ের হাত ধরে ঘোরে!’
শুটিং শেষে রবিদা তার লোকজন নিয়ে ঢাকায় ফিরে গেল। শুরু হলো ছবির পরবর্তী ব্যস্ততা—এডিটিং, ডাবিং, প্রমোশনের কাজ।
এর মধ্যে মিডিয়াপাড়ায় রটে গেল—নবাগত নায়ক হিরুর সঙ্গে সময়ের আলোচিত নায়িকা রিয়ামণির মন দেওয়া-নেওয়া হয়ে গেছে!
কয়েকমাস পরে ছবি মুক্তি পেল। তাদের ছবি বাম্পার হিট। একের পর এক নতুন ছবির অফার আসতে লাগল। ওদিকে নায়িকার এককথা, ছবি করতে রাজি সে, কিন্তু তার বিপরীতে সহশিল্পী হিসেবে হিরুকেই চাই!
একদিন সকালে রবিদা হিরুকে ফোন দিলো, ‘তুই তো সুপারস্টার হয়ে গেলি রে হিরু! আর কি আমার ছবিতে অভিনয় করবি?’
এপাশ থেকে হিরু বলল, ‘আর কোনো ছবিতেই অভিনয় করছি না, রবিদা।’
রবিদা চমকে উঠল। ‘সে কী রে! এ আবার কেমনতর কথা।’
‘ঠিকই বলছি।’
‘তাহলে রিয়ার কী হবে?’
‘কী হবে?’
‘তোকে আর ওকে নিয়ে যে মিডিয়াপাড়ায় জোর গুঞ্জন...’
হিরু মুচকি হেসে বলল, ‘নায়িকা তো নায়কের প্রেমেই পড়বে। ভিলেনের প্রেমে তো আর পড়বে না সে। একেক ছবিতে একেক নায়কের প্রেমে পড়বে। এটাই সায়েন্স।’
রবিদা বাকরুদ্ধ।