জো ক স

পেঁয়াজ তো প্লেনেই

 

স্বামী :আর কোনো চিন্তা নেই, ওই যে তাকিয়ে দেখ, পেঁয়াজ আসছে।

স্ত্রী :কোথায় দেখলে পেঁয়াজ? ওটা তো একটা প্লেন।

স্বামী :ওরে বোকা, এবার পেঁয়াজ তো প্লেনেই আসছে।

বড়ো মনের মানুষ

প্রথম বান্ধবী :জানিস, আমার দাদু কত বড়ো মনের মানুষ ছিল?

দ্বিতীয় বান্ধবী :কত বড়ো মনের?

প্রথম বান্ধবী :ধারে কাছে থাকা অন্তত দশজন লোককে ভাত না খাইয়ে দাদু কোনোদিন দুপুরের ভাত খেত না।    

দ্বিতীয় বান্ধবী :ফু, আমার দাদুর কাছে তো এটা কিছুই না।    

প্রথম বান্ধবী :তার মানে?

দ্বিতীয় বান্ধবী :আমার দাদু অন্তত একশ জন লোককে ভাত না খাইয়ে দুপুরের ভাত মুখে দিত না।

প্রথম বান্ধবী :বলিস কী! তোর দাদু তো বিশাল মনের মানুষ ছিলেন।

দ্বিতীয় বান্ধবী :তাই তো বললাম।

প্রথম বান্ধবী :উনি নিশ্চয়ই খুব বড়লোক ছিলেন?

দ্বিতীয় বান্ধবী :মোটেই না।

প্রথম বান্ধবী :তাহলে? এত লোককে খাওয়াতেন কী করে?

দ্বিতীয় বান্ধবী :হোটেলের ওয়েটার ছিলেন যে।

ঘুষে কোনো ঝুঁকি নেই

 

সাংবাদিক :‘দক্ষিণ এশিয়ায় বেশি ঘুষের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ’—এ ব্যাপারে কী বলবেন?

নেতা :সম্পূর্ণ ভুয়া কথা। ঘুষ কখনো ঝুঁকি বাড়ায় না, বরং ঝুঁকি কমায়। আপনার যেকোনো কাজ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। কিন্তু আপনি যখনই ঘুষের আশ্রয় নেবেন, প্রায় শতভাগ নিশ্চিত থাকবেন যে, কাজটা হয়ে গেছে।

সাংবাদিক :তাহলে বলতে চান, ঘুষের ঝুঁকিতে নেই বাংলাদেশ?

নেতা :জি না, বলতে চাই, ঘুষে কোনো ঝুঁকি নেই।

শিক্ষা অর্জন

শিক্ষক :এবার পেঁয়াজের দাম বাড়াতে আমাদের কী শিক্ষা হলো বলো তো?

ছাত্র :দাম বাড়লে প্লেনে চড়া যায়।

 

ফেসবুককে নিয়ে আসব ঘরে

মেয়ে :মা শুনেছ, ফেসবুক নাকি ৩২০ কোটি অ্যাকাউন্ট মুছেছে!

মা :তাই নাকি? এই খবরটা বুয়াকে বলতে হবে।

মেয়ে :বুয়াকে বলতে হবে কেন?

মা :ভালো করে ঘর না মুছলে ফেসবুককে নিয়ে আসব ঘরে, এই ভয়টা ঢুকিয়ে দিতে হবে। 

 

সৌভাগ্য না হয় দুর্ভাগ্য

প্রথম বন্ধু :বিয়ে একটা ভাগ্যের ব্যাপার রে।

দ্বিতীয় বন্ধু :ভাগ্য তো তবু একটা বিয়ের ব্যবস্থা করে দেয়। বিয়ে কী দেয় শুনি?

প্রথম বন্ধু :কেন? সৌভাগ্য না হয় দুর্ভাগ্য। একটা কিছু তো দেয়ই।

 

লিখব কেন?

স্যার :কে কী হতে চাও—লিখে দেখাও দেখি সবাই।

শেষ বেঞ্চের একজন কিছুই লিখছে না দেখে স্যার এগিয়ে গেলেন তার দিকে।

স্যার :কী ব্যাপার তুমি লিখছ না কেন?

ছাত্র :আমি তো কিছু হতে চাই না। লিখব কেন?

 

ওরা বাঘ হলে আমরা টাগ

প্রথম মশা :সর্দার, পেপারে পড়লাম আমাদের মারতে নাকি এবার স্যাটেলাইট আসছে।  

দ্বিতীয় মশা :তো কী হয়েছে?

প্রথম মশা :না মানে আমরা টিকে থাকতে পারব তো?

দ্বিতীয় মশা :কী যে বলিস, শুনলে হাসি পায়। সেই আদ্যিকালে কামান দাগানো থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত কত পদ্ধতিই তো আবিষ্কার করল মানুষ, কোন কালে আমাদের সাথে পেরেছিল শুনি? ওরা বাঘ হলে আমরা টাগ।  

 

যার মনে যা

গভীর রাতে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ল চোর। বাড়ির মালিক পেছন থেকে খপ করে চেপে ধরলেন চোরকে। 

বাড়ির মালিক :কী চান্দু, কী হচ্ছে শুনি?  

চোর :আমারও তো সেই একই প্রশ্ন। না ঘুমিয়ে জেগে আছেন কার আশায় শুনি? 

 

আমার মামা সব জানে

 

ভাগ্নে :‘দক্ষিণ এশিয়ায় বেশি ঘুষের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ’—এটা কোন দৃষ্টিতে দেখবে?

মামা :অবশ্যই পজিটিভ দৃষ্টিতে।

ভাগ্নে :সে কেমন?

মামা :যেকোনো কাজে ঝুঁকি না নিলে সাফল্য পাওয়া যায় না রে পাগল। 

 

আন্ডারস্ট্যান্ডিং

স্ত্রী :একটা ছুটা বুয়া রাখো, আমি আর পারছি না।

স্বামী :শোন, সংসারজীবনটা হলো আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের জায়গা। মাঝে মাঝে এসব বুঝে একটু কষ্ট করতে হয়।

স্ত্রী :কী বললে? প্রতিদিন কষ্ট করে রান্নাটা করে কে শুনি? বাড়ি ফিরে টিভি দেখা ছাড়া আর কোন কাজটা করো তুমি? 

স্বামী :কেন? তুমি যা রান্না করো, ওগুলো কষ্ট করে গেলা কী কম কষ্টের কাজ?   

 

আগে তো মারা যাও

স্ত্রী :ওগো, শাজাহান যেমন মমতাজকে ভালোবাসত, তুমি কি আমাকে তেমন ভালোবাসো?

স্বামী :কোনো সন্দেহ?

স্ত্রী :আমাকে ছুঁয়ে একটা সত্যি কথা বলো তো, শাজাহান তো মমতাজের জন্য তাজমহল বানিয়েছিল, তুমি আমার জন্য কী বানাবে?

স্বামী :জানি না গো।

স্ত্রী :তার মানে?

স্বামী :মমতাজ মারা যাওয়ার আগে শাজাহান কি জানত তাজমহল বানাবে?

স্ত্রী :না, তা না।

স্বামী :তাহলে তুমি মারা যাওয়ার আগে আমি কী করে জানব? আগে তো মারা যাও।

 

একা একা কী থাকা যায়?

প্রথম বন্ধু :শুনেছিস, বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্যাটেলাইট পাঠাবে খুব তাড়াতাড়ি।  

দ্বিতীয় বন্ধু :দ্বিতীয় স্যাটেলাইট পাঠাতে হবে কেন?

প্রথম বন্ধু :কী যে বলিস! একা একা কী থাকা যায়?

 

দিল্লিতে এইটাই তো সবচে বড় ব্যবসা

প্রথম বন্ধু :কীরে দোস্ত, খালি ডিব্বা আর মাস্কের প্যাকেট লইয়া কই দৌড়াস?

দ্বিতীয় বন্ধু :ব্যবসার কাজে দিল্লি যাই।

প্রথম বন্ধু :কস কী? খালি ডিব্বা আর মাস্ক লইয়া কীসের ব্যবসা!

দ্বিতীয় বন্ধু :কেন, অক্সিজেনের। দিল্লিতে এইটাই তো এখন সবচে বড় ব্যবসা। শুনিসনি, ওখানে দেদারসে বিশুদ্ধ বাতাস বিক্রি হচ্ছে।

 

সবচেয়ে দামি শহর

প্রথম বন্ধু :বল তো, বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি শহর কোনটা?

দ্বিতীয় বন্ধু :সিডনি? 

প্রথম বন্ধু :আরে ধুর, দিল্লি।

দ্বিতীয় বন্ধু :কী করে?

প্রথম বন্ধু :যে শহরের বাতাস কিনতে হয় টাকা দিয়ে, এরচেয়ে দামি শহর আর আছে নাকি?

 

কুইজ

প্রথম বন্ধু :আচ্ছা বল তো, যেখানে ২০০ মানুষ থাকার কথা, সেখানে যদি ১ হাজার ৮৫১ জন মানুষ থাকে, তাহলে সে জায়গাটাকে কী বলে?

দ্বিতীয় বন্ধু :নরক বলে।

প্রথম বন্ধু :উঁহু হলো না, তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার বলে।

 

কী বলবেন?

সাংবাদিক :১৫ মাস ধরে মহাখালী বাস টার্মিনালের পানির বিল দেয় না ডিএনসিসি—এ ব্যাপারে কী বলবেন?

কর্তৃপক্ষ :এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।