‘গণসংগীতের প্রয়োজনীয়তা এখনও ফুরায়নি’

গণসংগীত নিয়ে পথচলার ৪৩ বছর পার করলো ‘ঋসিজ শিল্পীগোষ্ঠী’। এই সংগঠনটির সভাপতি দেশের বরেণ্য গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর। বর্ষপূর্তিতে সংগঠনের আয়োজন ও গণসংগীতের অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

‘ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী’ পথচলার ৪৩ বছর পার করলো। শুরুতে এ প্রসঙ্গে বলুন—

১৯৭৬ সালে ‘ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী’র পথচলা শুরু হয়। ১৯৮৩ সাল থেকে আমরা গুণীজনদের সম্মাননার আয়োজন শুরু করি। সম্প্রতি ঋষিজের দীর্ঘ ৪৩ বছরের এই পথচলা স্মরণ করলেন শিল্পীরা। দেশের পাঁচ গুণী শিল্পীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি উত্সর্গ করা হয় প্রয়াত সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ মতিউল হক খান ও সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীকে। বাংলাদেশের গণসংগীতের ধারা সমৃদ্ধ করতে ঋষিজের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। আমরা দেশের নানা সঙ্কটে বিভিন্ন সময় গানের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ করেছি। আমরা মানুষের কথা বলেছি। মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। ঋসিজ শুধুই যে গান করেছে এমনটা নয়। দেশের মানুষের বিভিন্ন ক্রান্তিকালেও সবার পাশে ছিলাম। 

 

গণসংগীতের অবস্থাটা এখন আপনার কাছে কেমন মনে হয়?

এখন গণসংগীতের অবস্থাটা পরিবর্তন হয়েছে। সময়ের সঙ্গে গণসংগীতের অবস্থাটাও পরিবর্তন হয়। এখন গণসংগীতের কথাগুলো এখনকার মতো। তবে গণসংগীতের প্রয়োজনীয়তা এখনও ফুরায়নি। হয়তো গানের সংখ্যাটা কমেছে। তবে সংখ্যা আরো বাড়ানো দরকার।

 

আপনার এখনকার ব্যস্ততা?

এখন অনেকগুলো কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি। আমার কিছু পুরোনো গান নতুন করে আবার রিলিজ করবো। সেই কাজ নিয়েই এখন সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত। এটার পরিকল্পনা অনেকদিন ধরেই করছিলাম। অবশেষে শুরু করলাম। এছাড়া আগামী বইমেলায় আমার কয়েকটি বই প্রকাশিত হবে। সেগুলোরও কাজ চলছে।