সিলেটের সঙ্গে চলাচলকারী ঢাকাসহ সারাদেশের ট্রেনগুলো বিলম্বে চলাচল করছে। ফলে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। শনিবার সকাল থেকে প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেন গড়ে চার ঘণ্টা করেও চলাচল করে। তবে রেলওয়ের দাবি, কুয়াশা আর দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেন চলাচল হচ্ছে ধীরগতিতে।
সিলেট-আখাউড়া সেকশনের শমশেরনগর ও ভানুগাছসহ কয়েকটি রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার থেকে সিলেট-ঢাকা পথে দিনে চলাচলকারী আন্তঃনগর কালনি, জয়ন্তিকা, পারাবত এক্সপ্রেস ও রাতে চলাচলকারী উপবন এক্সপ্রেস গড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছে। চট্টগ্রাম-সিলেট পথে দিনে চলাচলকারী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ও রাতে চলাচলকারী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনও একইভাবে গড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা করে বিলম্বে চলাচল করছে।
শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ ও ভানুগাছ স্টেশন মাস্টার সেলিম আহমদ বিলম্বে ট্রেন চলাচলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রীদের শীতের মধ্যে সারারাত স্টেশনে অপেক্ষা করতে হয়। যাত্রীদের আবার গভীর রাতে ট্রেন থেকে নেমে রাতভর স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রী জমসেদ আলী ও মিজানুর রহমান বলেন, কালনি ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে বিকাল ৫টায় ছাড়ার কথা ছিল। ট্রেনটি ঢাকা ত্যাগ করেছে সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিটে। ট্রেনটি ঢাকা ত্যাগের আগ পর্যন্ত দুর্ভোগের মধ্যে ছিলেন বলে তারা জানান। বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকার বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. মাঈনুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের সংঘর্ষের পর ঘন কুয়াশার কারণে জননিরাপত্তার কথা ভেবে এখন ট্রেন কিছুটা ধীরগতিতে চালাতে হচ্ছে। তাছাড়া চালক স্বল্পতার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আন্তঃনগর ট্রেনের চালকদের কিছুটা বিশ্রামও দিতে হচ্ছে।