চরফ্যাশন সরকারি টী ব্যারেট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়ন

 ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধকে জানি’

দেশব্যাপী সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের চলমান ধারাবাহিক মূল্যায়নের নাম ‘ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধকে জানি’ । এই ধারাবাহিক মূল্যায়নে দুইটি বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে এক. এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি, দুই. ভিডিও চিত্র ধারণ। সম্ভাব্য নমুনা প্রশ্নের আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাত্কারের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য, স্মৃতিচারণ, সাহসিকতার গল্প নিয়ে শিক্ষার্থীরা তৈরি করছে প্রতিবেদন এবং ভিডিও। আর এর মধ্যে বাছাই করা প্রতিবেদনগুলো দৈনিক ইত্তেফাক-এর শিক্ষা বিষয়ক পাতা অনুশীলন-এ প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে।  আজ চরফ্যাসন সরকারি টী ব্যারেট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেয়া  মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী মো.নুরুল ইসলাম এর সাক্ষাত্কার থেকে তৈরি করা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলো।  প্রতিবেদন উপস্থাপনায়: জাহিয়া করিম ইকরা, আফসানা মিম, সায়মা জান্নাত, মেহেদী হাসান সাগর ও মুনিয়া। অর্থি, আদিবা, সুমাইয়া ও নন্দিতা। ক্যামেরায়:মো. অহিদুজ্জামান ও মো. সাদাকাতুল ইসলাম, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তানবীর আহমেদ, সহযোগিতায়: বিদ্যালয়ের সহ:প্রধান শিক্ষক তাসলিমা বেগম

লিখিত প্রতিবেদন পাঠানোর ঠিকানা ই-মেইল: anushilon.ittefaq10@gmail.com  যোগাযোগ:০১৭১৪৭০৫৭২৭

গত রবিবারের পর

 

মানুষের জীবনে স্মৃতি মধুর ও স্মৃতি বিধুরও থাকে। আজকে আমি স্মৃতিকাতর। এইজন্য আমি ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শের কর্মী। ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে আসছি। সেদিন ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ছিলো না। কোনো মোবাইল ছিলো না। ঐদিন তোফায়েল আহমেদ এর পিএস ভোলার মিন্টু ভাই‘র হাতে ছোট একটা ক্যামেরা ছিলো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাওয়ার সেই মুহূর্তটা মিন্টু ভাই ক্যামেরায় বন্দি করেন।  ঐ ছবিটির জন্য ঐ দূর্লভ ছবিটি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পরম পাওয়া, পরম অর্জন। আমার কাঁদে হাত দিয়ে প্রায় ৫-৬ মিনিট কথা বলেছিলো তখন আমার মাঝে বিদ্যুত্ প্রবাহের মতো বয়ে যাচ্ছিলো। আমি এমন মহানুভব, এমন উদার, এমন বিশাল মাপের নেতার সান্নিধ্যে এসে  আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি এবং আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন বঙ্গবন্ধুর প্রেরণা, বঙ্গবন্ধুর চেতনা নিয়েই বেঁচে থাকবো। আজ আমি স্মৃতি কাতর।

আমার স্মৃতির বাতায়ন খুলে, উঁকি মেরে,  পেছনের ফিরে আসা দিনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে হিরন্ময় স্মৃতি ছিলো আমার বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য আসার, তাঁর চুমু খাওয়া, আর তাঁর হাতটি আমার কাঁধে রেখে কথা বলা। এই স্মৃতিটগুলো আমাকে এখনো স্মৃতিকাতর করে।

৭ই মার্চের ভাষণেই মানুষ বঙ্গবন্ধুর কথা বুঝতে পেরেছেন, তিনি কি বলতে চেয়েছেন। ২৫ মার্চ পাকিস্তানিরা যখন আমাদের নিরীহ বাঙালির উপর  অস্ত্র, কামান, ট্যাংক নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে হত্যা করা শুরু করলো তখনই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুু বিশ্বের বড় মাপের একজন নেতা।