লালমোহনের মঙ্গল সিকদার লঞ্চঘাটের পন্টুুন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা থেকে প্রতিদিন তিনটি লঞ্চ চরফ্যাশন-ঢাকা রুটে চলাচল করে। লঞ্চ তিনটিতে লালমোহন উপজেলার মঙ্গল সিকদার লঞ্চঘাট থেকে কয়েক শ যাত্রী ওঠানামা করেন। পন্টুুনে ওঠার সময় যাত্রীদের কাছ থেকে ঘাট-ট্যাক্স নেওয়া হয়। অথচ পন্টুুনের দুরবস্থার দিকে নজর নেই কারো। যাত্রীদের বসার কোনো ব্যবস্থা নেই। লঞ্চের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। নেই শৌচাগার। সেজন্য নারী যাত্রীরা প্রতিদিন সমস্যায় পড়েন। ঝড়ে পন্টুুনের ছাউনি উড়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ কয়েক মাস পরও তা ঠিক করা হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলেই অপেক্ষমাণ যাত্রীরা ভিজে যান। পন্টুুনের ওঠানামার সিঁড়িটাও ভাঙা। জোয়ারভাটার সময় এই সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। মাঝে মাঝে ঘটে ছোটোখাটো দুর্ঘটনাও। পরিশেষে, পন্টুুনের ছাউনি, যাত্রীদের আসন এবং শৌচাগারের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. সোয়েব মেজবাহউদ্দিন

লালমোহন, ভোলা