বাবুল আকতার মঞ্জুর, শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
শিবালয় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জাফরগঞ্জ হাটের ইজারা বন্ধ থাকায় সরকার মোটা অঙ্কের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় ২৫ বছর আগে জাফরগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী এলাকা নদী ভাঙনের মুখে পড়ে। ভাঙন রোধে ২০১৬ সালের ৬ মার্চ প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘যমুনা নদীর পূর্বতীর সংরক্ষণ প্রকল্প’ উদ্বোধন করেন এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এমপি। ভাঙনকবলিত এলাকার পূর্বদিকে জাফরগঞ্জ হাট বিস্তৃতি লাভ করছে। সপ্তাহে সোম ও শুক্রবার হাট বসে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথলী ও আরিচা-তেওতা রাস্তা জাফরগঞ্জ হাটের পূর্বাংশে মিশেছে। পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের বিপুলসংখ্যক যাত্রী প্রত্যহ জাফরগঞ্জ হয়ে গন্তব্যে যাতায়াত করায় স্থানীয় এ হাটটি বেশ জমে উঠেছে।
ইদানীং স্থানীয় কেউ কেউ এ হাটের গুরুত্ব বিবেচনা না করে নবনির্মিত বাঁধের দক্ষিণ দিকে পুকুর ভরাট করে হাট-বাজার বসানোর অপচেষ্টা চালায়। আপত্তি করায় পুলিশি ভয়ভীতি দেখানো ও হয়রানির চেষ্টা চলে। নতুন করে হাট-বাজার বর্ধিত করার অপচেষ্টার কারণে মূল হাটের ইজারা গ্রহণ ব্যাহত হয়। গত বছর প্রায় ২৬ লাখ টাকায় হাট ইজারা হলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার ইজারা না নেওয়ায় সরকার মোটা টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, একটি মহল ‘জাফরগঞ্জ নদীবন্দর ও হাট-বাজার’ নামে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার পর ক্রয়-বিক্রয়, পণ্য আনা-নেওয়া, খাজনা আদায়সহ নানা ক্ষেত্রে জটিলতার সৃষ্টি হয়। শিবালয় উপজেলা কমিশনার (ভূমি) মো. জাকির হোসেন জানান, জাফরগঞ্জ নদীবন্দর ও হাট-বাজার বর্ধিতকরণ সম্পর্কিত অভিযোগের শুনানি স্থগিত রয়েছে।