রেজাউল করিম খোকন
আদাহ শর্মা বলিউডে আছেন ২০০৮ সাল থেকে। এর মধ্যে ১১ বছর পেরিয়ে গেছে। এই সময়ে তাকে পাঁচটি হিন্দি সিনেমায় দেখা গেছে। এর বাইরে দক্ষিণী, তামিল, তেলেগু, কান্নাড় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সব মিলিয়ে ১১ বছরে তার ১৫টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। সংখ্যার বিচারে খুব বেশি সিনেমায় অভিনয় করা হয়নি আদাহর। তবে দর্শকদের নজর কেড়েছেন তিনি প্রথম অভিনীত সিনেমা ‘১৯২০’-এ। ২০০৮ সালের সেরা সম্ভাবনাময় নতুন মুখের অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। হরর ধাঁচের ছবিটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে চমত্কার অভিনয় করেছিলেন আদাহ শর্মা। প্রেতাত্মা ভর করা এক সুন্দরী তরুণীর ভূমিকায় তাকে দেখা গিয়েছিল ‘১৯২০’-এ। ছবিটি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। এর তিন বছর পর ২০১১ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত আরেকটি হরর ফিল্ম ‘ফির’। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ছবিটি ফ্লপ করে। কিন্তু তাতে থেমে যায়নি আদাহ শর্মার ক্যারিয়ার। এরপর ‘হাম হ্যায় রাহি কার কে’, ‘হাসি তো ফাঁসি’, ‘কমান্ডো টু’, ‘বাইপাস রোড’ ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে। আর কিছুদিন আগে তার অভিনীত হরর-সাসপেন্স-থ্রিলার ধাঁচের সিনেমা ‘বাইপাস রোড’ মুক্তি পেয়েছে। মুম্বাইয়ে বেড়ে ওঠা আদাহ শর্মার বাবা মার্চেন্ট নেভির ক্যাপ্টেন। মা একসময় ক্লাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী ছিলেন। মুম্বাই শহরের বান্দ্রার পালি হিলে অক্সিলিয়াম কনভেন্ট স্কুলে পড়েছেন তিনি। ক্লাস টেনে পড়ার সময় স্কুল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম ছবিতেই দর্শক-সমালোচকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। দক্ষিণী সিনেমাতেও তার বিচরণ চোখে পড়ার মতো। তেলেগু সিনেমা ‘হার্ট অ্যাটাক’, ‘সান অব সত্যমূর্তি’, ‘গরম’, ‘কাশানম’, ‘কালকি’; তামিল সিনেমা ‘চার্লি চ্যাপলিন’, কান্নাড় সিনেমা ‘রানা বিক্রম’-এ তাকে দেখা গেছে। এ সপ্তাহে মুক্তি পাচ্ছে আদাহ অভিনীত ‘কমান্ডো থ্রি’ ছবিটি। অ্যাকশন থ্রিলার ধাঁচের ছবিটির আগের পর্বে আদাহ শর্মাকে ভাবনা রেড্ডি চরিত্রে দেখা গিয়েছিল। ‘কমান্ডো’ ফ্রাঞ্চাইজির তৃতীয় ছবিটিতেও একই চরিত্রে আবার দর্শকদের সামনে আসছেন আদাহ। বলিউডের আলোচিত মার্শাল আর্ট হিরো বিদ্যুত্ জামওয়ালের বিপরীতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। তবে ‘কমান্ডো থ্রি’ ছবিতে আরো একজন নায়িকা আঙ্গিরা ধরকে দেখা যাবে। ছোট পর্দায়ও কাজ করেছেন তিনি। ‘পুকার :কল ফর দ্য হিরো’ সিরিয়ালে তাকে দেখা গেছে ২০১৪-২০১৫ সালে।