ট্রেড ইউনিয়নে এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে প্রয়োজন তৃণমূল থেকে সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠা করা। শ্রমিকের পরিচয় লিঙ্গের মাধ্যমে নয়, কাজের মাধ্যমে। সুতরাং নারীর প্রতি মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ : নারী-পুরুষ সমতা প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ ট্রেড ইউনিয়নের সর্বস্তরে নারীর অংশগ্রহণে অগ্রসরতা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। কর্মজীবী নারীর অঙ্গসংগঠন ‘নারীশ্রমিক কণ্ঠ’ এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে ‘ফ্রেডরিক এবার্ট স্টিফটুং (এফইএস)।
সভাপতির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শিরীন আখতার বলেন, এক জন নারীর মনের কথা বলার জায়গা নেই, যেটা পুরুষের আছে। তাই নারীরও একটা আড্ডার জায়গা থাকতে হবে। যেখানে নারীরা তার হাসি, আনন্দ, দুঃখ বিনিময় করবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাসুদ এম রশিদ চৌধুরী বলেন, নারীশ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, মাতৃত্বকালীন ছুটি নিশ্চিত করতে হবে। ফ্রেডরিক এবার্টস্টিফটুং (এফইএস) এর রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ টিনা ব্লম বলেন, সারাবিশ্বে নারীর একই সমস্যা চলছে, তাই সবাই একসঙ্গে কাজ করছি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর আইনুন নাহার বলেন, নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক তানিয়া হক বলেন, শ্রমিকের পরিচয় লিঙ্গের মাধ্যমে নয়, কাজের মাধ্যমে।
সেমিনার সঞ্চালনা করেন ‘নারীশ্রমিক কণ্ঠে’র সদস্য হামিদা খাতুন, শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন লিমা ফেরদৌস এবং ধারণাপত্র পাঠ করেন উম্মে হাসান ঝলমল।