চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত ডরিন তিষা গোমেজ ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, এতদিন ধরে আইসিইউতে চিকিত্সা চলছিল তিষার। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি।’
তিষার পিতা অনল গোমেজ। দুই বোনের মধ্যে তিষা ছিলেন বড়ো। তিনি ইসলামিয়া কলেজে বিকম সমাপনী পরীক্ষার্থী ছিলেন। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি পাথরঘাটা সেন্ট জনস গ্রামার স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। বিস্ফোরণের সময় স্কুলে যাওয়ার পথে দেওয়াল চাপায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিষা।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ নভেম্বর নগরের পাথরঘাটায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হয় ৭ জন, আহত হয় ৯ জন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৪ জনকে আইসিউতে ভর্তি করা হয়।