ফাইনালের চাপ সামলানোর চিন্তায় সৌম্য

বাংলাদেশের ক্রিকেটে ফাইনাল হারের তালিকা ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। এই তো কদিন আগে ইমার্জিং কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। প্রায় একই দলটা গতকাল সাউথ এশিয়ান (এস এ) গেমস খেলতে নেপাল গেল। সকাল ১০টার ফ্লাইটে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে বাংলাদেশ দল ঢাকা ছেড়েছে। এস এ গেমসের ১৩তম আসরে ক্রিকেট বিভাগে দল পাঠাচ্ছে না ভারত ও পাকিস্তান। বড়ো দল বলতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। পাঁচ দলের বাকি তিনটি হচ্ছে: নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ। শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলটা বেশ শক্তিশালী। সৌম্য সরকার, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাঈম শেখরা রয়েছেন এই দলে। তাই গেমসের ফাইনালে খেলাটা বেশ প্রত্যাশিতই বলা যায়। স্বর্ণ জয়ের টার্গেটেই দেশ ছেড়েছেন ক্রিকেটাররা। তবে বাঁহাতি ওপেনার সৌম্য সরকার বলেছেন, গেমসে ফাইনালের চাপটা সামাল দিতে হবে ভালোভাবে। তাহলেই লক্ষ্য অর্জন করা যাবে।

টি-২০ ফরম্যাটে খেলা হবে। গতকাল সকালে বিসিবি একাডেমির সামনে সৌম্য সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ফাইনাল খেলা, সেমিফাইনাল খেলার যে চাপ, এগুলো যদি নিতে পারি, এগুলো থেকে যদি কাটিয়ে উঠতে পারি ওপরের বড়ো টিমের সঙ্গে ভালো করতে পারব।’

অধিনায়ক শান্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার দিকে। নেপালে বেশ ঠান্ডা এখন। তার মতে, স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলতে পারলেই স্বর্ণ জয় সম্ভব। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অধিনায়ক গতকাল বলেছেন, ‘দুই-তিন দিন আগে যাচ্ছি, যতটুকু ওখানে মানিয়ে নেওয়া যায় চেষ্টা করব। আমরা খুব ভালো ছন্দে আছি। ভালো সম্ভাবনা আছে। আমরা যদি স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারি অবশ্যই স্বর্ণ জেতা সম্ভব।’

উল্লেখ্য, আগামীকাল শুরু হবে ক্রিকেট ইভেন্ট। ৪ ডিসেম্বর মালদ্বীপ, ৬ ডিসেম্বর ভুটান, ৭ ডিসেম্বর নেপাল, ৮ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ দল। ৯ ডিসেম্বর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে এস এ গেমসে নারী ক্রিকেটের সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। গতকাল বিসিবির মিডিয়া বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, সালমা খাতুনের দলের এস এ গেমস মিশন শুরু হয়ে যাবে আগামীকালই। ৩ ডিসেম্বর প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ নারী দল। ৪ ডিসেম্বর নেপাল, ৫ ডিসেম্বর মালদ্বীপের বিপক্ষে মাঠে নামবে সালমা বাহিনী। ৮ ডিসেম্বর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।