গেমস শুরু হওয়ার আগেই খেলা শুরু হয়ে গিয়েছিল। কাল যখন ১৩তম এসএ গেমসের উদ্বোধন হয় তার আগেই বাংলাদেশ একটি ইভেন্ট হতে বিদায় নিয়েছে। বিদায় নিলেও কাল গেমস জুড়ে আনন্দ উল্লাস ছিল কাঠমান্ডুতে।
এবারের গেমস নিয়ে অনেক আশঙ্কা ছিল। কয়েকবার তারিখ পরিবর্তনও করতে হয়েছিল। এমনকি নেপাল সরকারও নিশ্চিত ছিল না আদৌ তারা গেমস করতে পারবে কি না। তিন মাস আগে বাংলাদেশকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে গেমস হবে। তারপরও বাংলাদেশও প্রস্তুতি নিয়েছে গেমসর জন্য।
এসএ গেমস অনেকের চোখে দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক গেমস। কারণ দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াবিদদের জন্য এই আসর হচ্ছে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের বড়ো মঞ্চ। বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা এসএ গেমস হতে পদক জয় করতে পারলে সেটি নিয়ে সরকারি মহল পর্যন্ত সাড়া পড়ে যায়। ক্রীড়াবিদরা পায় নানা সুযোগ-সুবিধা। সরকার হতে স্বর্ণজয়ী চার ক্রীড়াবিদকে দেওয়া হয়েছে ফ্ল্যাট। সাঁতারু মাহফুজা আক্তার শিলা দুইটি স্বর্ণ, ভারোত্তোলনে মাবিয়া আক্তার সীমান্ত এবং শ্যুটার শাকিল আহমেদ একটি স্বর্ণ জয় করেছিলেন ২০১৬ সালে ভারতের গৌহাটি ও শিলংয়ে অনুষ্ঠিত ১২তম এসএ গেমসে। ক্রীড়াবিদরা সরকারের এমন উপহারে খুশি। এবারের গেমস হতে কয়টি স্বর্ণপদক পাবে বাংলাদেশ সেটা নিশ্চিত না। নিশ্চিত করে বলতে পারেননি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নীতি-নির্ধারকরা। তারপরও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে স্বর্ণপদক জয়ের তাগিদ আছে। এখানে একটা পদক জয় করতে পারলে বদলে যাবে ভাগ্য। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে ৬ লাখ টাকা স্বর্ণজয়ের জন্য, ৩ লাখ টাকা রূপার পদক, ব্রোঞ্জ পদক জয় করলেও থাকবে অর্থ পুরস্কার।