শিশুদের ত্বক স্পর্শকাতর হয়ে থাকে। যার ফলে শীতে আর্দ্রতার অভাবে শিশুর ত্বক শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে। শুষ্ক চামড়া তাদের শরীরে বিভিন্ন সমস্যার জন্ম দেয়। তাই শীতের এই সময়টাতে শিশুর ত্বকের বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এই সময়ে শিশুর ত্বকের সঠিক পরিচর্যা নিয়ে লিখেছেন
লোপা চৌধুরী
শরীরের তেল ও ময়লা পরিষ্কার করতে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। গোসল করানোর সময় সুগন্ধিবিহীন বাচ্চাদের সাবান ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখবেন শীতে যেন বাচ্চাদের শরীরে বড়োদের সাবান লাগানো না হয়। গোসলের জন্য কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। শিশুর গোসলের জন্য ১০ মিনিটের বেশি সময় নেবেন না। গোসল শেষে দ্রুত শরীর ও মাথা ভালোভাবে মুছে ফেলতে হবে। এরপর শীতে শিশুর ত্বকের যত্নে সব থেকে জরুরি হলো ময়েশ্চারাইজার। শিশুকে গোসল করানোর পর কোমল কোনো টাওয়েল দিয়ে শরীর মুছিয়ে তারপর ময়েশ্চারাইজার লাগান। তবে এটি লাগানোর আগে নিশ্চিত হয়ে নিন, সেটি যাতে সুগন্ধি, অ্যালকোহল ও অন্যান্য কেমিক্যালবিহীন হয়। শীতে শিশুর ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল ব্যবহার করতে পারেন। শীতের আর্দ্রতা থেকে আপনার শিশুর ত্বক বাঁচাতে ঘন ঘন ডায়পার পরিবর্তন করুন। ভেজা ডায়পার যত বেশি শিশুর ত্বকের সংস্পর্শে থাকবে, ত্বকে তত বেশি ফুসকুড়ি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিশুর ডায়পার ভেজা অবস্থায় বেশিক্ষণ পরিয়ে না রাখাই ভালো। সর্বোপরি শিশুর ত্বকের অভ্যন্তরে বাতাস চলাচল নিশ্চিত করতে সুতি কাপড় ব্যবহার করুন। এমনকি আপনার শিশুর ত্বক নরম রাখতেও সুতি কাপড় খুব কাজে দেবে। আপনার ছোট্ট সোনামণির ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন। গোসলের পর সামান্য পরিমাণ পেট্রোলিয়াম জেলি হাতে নিয়ে হালকা করে শিশুর ত্বকে লাগিয়ে দিন। সেইসঙ্গে ভালোমানের বেবি লোশন লাগাতে পারেন।