শাহীন হাফিজ, বরিশাল অফিস
শীতের শুরুতেই গরম কাপড়-চোপড় কেনার জন্য ছুটছে মানুষ। ভিড় বেড়েছে শীত মৌসুমের জনপ্রিয় মার্কেটগুলোতে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি চলে বেচা-কেনা। প্রতি বছর শীত মৌসুম শুরু হওয়ার পর মহসিন মার্কেট ও সিটি মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কনকনে শীতের অপেক্ষায় দিন গুণতে হয়। কিন্তু এবারের চিত্র পুরোপুরি উলটো। মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন গ্রামগঞ্জ থেকে ক্রেতা আসতে শুরু করায় ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে এ মার্কেট দুটিতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে হরেক রকম বাহারি পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। শীতবস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় তারা মোকাম থেকে দেশি-বিদেশি হরেক ডিজাইনের শীতের পোশাকের গাইড নিয়ে আসছেন। মার্কেটে মূলত পুরোনো পোশাকের কদর বেশি।
বিদেশ থেকে গাইড হিসেবে (বিশেষ প্যাকেটজাত পোশাক) আসা এসব পোশাক ঢাকার বঙ্গবাজার, গুলিস্তান ও চট্টগ্রাম থেকে আমদানি করে থাকেন তারা।
ব্যবসায়ীরা জানান, ভালো পোশাকগুলো গাঁইট থেকে তারা খুঁজে বের করার পর দাম হাঁকেন মালিক। নির্দিষ্ট কোনো পোশাকের মূল্য নির্ধারণ করা নেই। গাইড থেকে বেরিয়ে আসা বিদেশি পুরোনো পোশাকটি ক্রেতার খুব পছন্দ হয়ে গেলে তা বুঝতে পারেন বিক্রেতা দোকানিরা। সে অনুযায়ী মূল্য হাঁকা হয়।
অধিকাংশ ব্যবসায়ী জানান, গার্মেন্টস আইটেমের চেয়ে শীতবস্ত্রে লাভ বেশি হয়। শীতের পুরোনো পোশাকের গাঁইট চট্টগ্রাম থেকে ক্রয় করা হয়। জ্যাকেটের গাঁইটের দাম পড়ে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা। সোয়েটারের গাঁইটের দাম ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। এ সকল গাঁইট এমনভাবে আটকানো থাকে তাতে কি রকম পোশাক রয়েছে তা বোঝার কোনো উপায় থাকে না।
শীত মৌসুমের পর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ছোটেন অন্য পেশায়। মার্কেটের বড়ো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পাইকারি দরে পোশাক কিনে ফুটপাত কিংবা ভ্যানগাড়িতে করে তা বিক্রি করেন।