বুদ্ধিজীবী দিবসের নাটকে

নাবিলা বিনতে ইসলাম এই সময়ের একজন দর্শকপ্রিয় নাট্যাভিনেত্রী। একটি সময় উপস্থাপনাতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন। সেই সময়টাতে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিয়ে এগিয়ে যাবেন আগামীর পথেম এমন ভাবনা ছিল না তার। কিন্তু সময়ের ধারাবাহিকতায় দর্শক ও নির্মাতাদের আগ্রহে নাবিলা উপস্থাপনা থেকে এখন অনেক দূরে সরে নিজেকে একজন পেশাদার অভিনেত্রী হিসেবেই গড়ে তুলেছেন। পরিবারের সবাই তার অভিনয় দেখেন মনোযোগ দিয়ে। ভালো করলে যেমন প্রশংসা করেন, এর ব্যতিক্রম হলে কিছুটা সমালোচনাও শুনতে হয় তাকে। নিজের ভালোর জন্য এসবই সানন্দে গ্রহণ করেন নাবিলা। বহুমাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করে একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। যে কারণে বিশেষ দিবসের নাটকের চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ এলো তার। আগামী শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের নাটকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। নাটকের নাম ‘পোস্টার ৭১’। নাটকটি রচনা ও নির্মাণ করবেন ফরিদ উদ্দিন মোহাম্মদ। ইতিমধ্যে নাটকের শুটিং হয়েছে। বিশেষ দিবসের নাটকে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে একজন নির্মাতার আপনার উপর নির্ভরতা, এই বিষয়টি কিভাবে দেখছেন আপনি? এমন প্রশ্নের জবাবে নাবিলা বিনতে ইসলাম বলেন, ‘শুরুতেই ধন্যবাদ জানাই নির্মাতাকে এই ধরনের একটি গল্পে কাজ করার জন্য আমাকে নির্বাচন করায়। নির্মাতা আমার সম্পর্কে জেনে আমার ওপর চরিত্রটির জন্য আস্থা রেখেই আমাকে চূড়ান্ত করেছেন। আমার ওপর যে আস্থা রেখে তিনি কাজটি করতে যাচ্ছেন, আমি তা যথাযথভাবে করার জন্য নিজেকে তৈরি করেই সেটে যাব। শুটিংয়ে যাওয়ার আগে স্ক্রিপ্টটি আরো ভালোভাবে পড়ে তারপর অভিনয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াব। যেহেতু এটা বুদ্ধিজীবী দিবসের কাজ, তাই এই নাটকে কাজ করার জন্য দায়িত্বটা একটু বেশিই বেড়ে গেল।’ এদিকে গতকাল বিকেল চারটনায় নাবিলা ইসলাম নেপাল থেকে চারটি নাটকের কাজ শেষ করে দেশে ফিরেছেন। নেপাল যাওয়ার আগে তিনি নজরুল ইসলাম রাজুর নির্দেশনায় নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘বাকরখানি’র কাজ শুরু করেছেন। এর আগেও তিনি একই পরিচালকের ‘ঘরে বাইরে’ ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেছিলেন। নাবিলা বিনতে ইসলাম জানান, তার পোশাকের ডিজাইন তারা খালারা-কাজিনেরা করে থাকেন। যে কারণে সাধারণত তার পোশাকগুলো একটু ব্যতিক্রমধর্মী হয়ে থাকে। নাবিলা প্রথমবারের মতো একটি মিউজিক ভিডিওতেও মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। হায়দার হোসেনের একটি গানে তিনি জাহিদ হাসানের বিপরীতে মডেল হয়েছেন।