গতকাল আরেকটি স্বর্ণপদক জয় করতে দলীয় ইভেন্টে লড়াইয়ে নেমে ছিলেন সোনার পদক জয়ী মারজান আক্তার প্রিয়া। ভাগ্যটা এতই খারাপ ছিল যে, প্রিয়া প্রতিপক্ষের আঘাতে হাসপাতালের বিছানায় চলে গেলেন। স্বর্ণ জয়ের সম্ভাবনা থাকার পরও সেটি হাতছাড়া হয়ে যায়। হাসপাতাল থেকে চিকিত্সা নিয়ে ফিরেছেন প্রিয়া।
ডাক্তাররা নেপালের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন—প্রিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। হাসপাতাল থেকে খেলোয়াড়দের আবাসিক ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেমিফাইনালে মারজান আক্তার প্রিয়া, হুমায়রা আক্তর অন্তরা ও মাউনজেরা দলগত কারাতের কুমিতে ২-১ ব্যবধানে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। লঙ্কানদের বিপক্ষে লড়াইয়ে একজন খেলোয়াড় প্রিয়ার ঘাড়ে আঘাত করেন। তখনই ম্যাটে লুটিয়ে পড়েন প্রিয়া। এমআরআই করা হলে কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন সূত্রের খবর—প্রিয়া হাসপাতাল থেকে সন্ধ্যায় ফিরেছেন। প্রিয়া না থাকায় তার পরিবর্তে ফাইনালে খেলেন নাইমা খাতুন। ফাইনালে মেয়েরা পাকিস্তানের কাছে হারে ২-১ পয়েন্টে। কারাতে ইভেন্টে শক্তিশালী ভারত ছিল না।