বিএনপির আন্দোলনের হুমকি আদালত অবমাননার শামিল :তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য তাদের আন্দোলনের হুমকি আদালত অবমাননার শামিল। গতকাল বুধবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সম্মেলন মঞ্চ পরিদর্শনের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘সরকার খালেদা জিয়ার জামিন দেয়ার এখতিয়ার রাখে না। তার মানে তাদের আন্দোলন আদালতের বিরুদ্ধে। সে কারণে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে কিছু করে কি না, সেটিই দেখার বিষয়।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেছেন। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মধ্যদিয়ে দলে নতুন নেতৃত্ব আসবে। দলকে দুর্বৃত্তায়ন মুক্ত করতেই এ সম্মেলন।

পরে তিনি আওয়ামী লীগের আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর জাতীয় সম্মেলনের জন্য মঞ্চ তৈরির কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় নেতা মির্জা আজম এমপি, যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাইফুর রহমান সোহাগ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এফ এম সোহরাওয়ার্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্মেলন মঞ্চের সাজসজ্জার সকল প্রস্তুতি শেষ করবে আওয়ামী লীগ। এরপর ১৬ ডিসেম্বর থেকে চার দিন সাধারণ মানুষের জন্য এ মঞ্চ উন্মুক্ত রাখা হবে। তবে এবারের সম্মেলনে অন্যবারের মতো জাঁকজমক পূর্ণ হবে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং সরকার ঘোষিত মুজিববর্ষের কাউন্টডাউন শুরু হওয়ায় অনেকটা সাদামাটা পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সম্মেলন। ২০ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন হবে এবং ২১ ডিসেম্বর সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে কাউন্সিল অধিবেশন হবে।