ভোক্তা স্বার্থ রক্ষার জন্য গুণমানের প্রতিযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলেও তারা মত দেন। বৃহস্পতিবার ঢাকায় উন্নয়ন সমন্বয় সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংলাপে তারা এমন মত দেন। বক্তারা বলেন, বৃহত্তর ভোক্তা কল্যাণ নিশ্চিত করে, সব ধরনের প্রতিযোগিতাবিরোধী তত্পরতা নিষিদ্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সুসমন্বিত রেগুলেটরি সেবা নিশ্চিত করে—এমন একটি প্রতিযোগিতা নীতি প্রণয়ন ও তার কার্যকর বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। এজন্য সব অংশীজনকে চ্যালেঞ্জগুলো যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এগুলো মোকাবিলার জন্য এক সঙ্গে কাজ করতে হবে এবং এ বিষয়ে সার্বিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক বাণিজ্য সচিব সোহেল আহমেদ চৌধুরী, অধ্যাপক এ কে এম এনামুল হক, গবেষক ড. নাজনীন আহমেদ, এফবিসিসিআই প্রতিনিধি মনজুর আহমেদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায় প্রমুখ।
ড. আতিউর রহমান বলেন, সুশাসন, স্থিতিশীলতা, মানবিক উন্নয়ন এবং সামাজিক সংরক্ষণ নিশ্চিত হতে হবে। ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে প্রবৃদ্ধি গতিশীল ও বাজার ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিক উত্পাদন ক্ষমতা ও ভোক্তা কল্যাণও বৃদ্ধি পাবে।
মফিজুল ইসলাম বলেন, মাত্র তিন বছর হয় প্রতিযোগিতা কমিশন কাজ শুরু করেছে। এখনো আইনের প্রবিধানগুলো হয়নি। নিজস্ব জনবলও নেই। তবে পুরোদমে কাজ শুরু করলে এর সুফল জনগণ পাবে। মনজুর আহমেদ বলেন, বিদ্যমান আইনেই সরকার বাজারে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এমনকি মূল্যও বেঁধে দিতে পারে।