পুলিশের গুলিতে ৪ ধর্ষক নিহত, যা বলছেন তারকারা

ভারতের হায়দরাবাদে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয় তরুণীকে। যেখানে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর মরদেহ পোড়ানো হয় অভিযুক্তরা সেখানেই পুলিশের উপর চড়াও হয়। পাল্টা গুলিতে মৃত্যু হয় চার অভিযুক্তের। তেলেঙ্গনায় এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন টলিউড তারকারা।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত: আমি অবসাদগ্রস্থ, অত্যন্ত আতঙ্কিত, আশঙ্কিত, খুব কষ্ট পেয়েছি, ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছি। এরকম ভাবে কেউ অত্যাচারিত হতে পারে ভাবা যায় না। জীবন শুরু হওয়ার আগেই শেষ হয়ে গেল। আমাদের কোনও নিরাপত্তা নেই, কারোর কাছে সাহায্য চেয়ে এই অবস্থা হতে পারে ভাবা যায় না। আমি আইন বুঝি না , এনকাউন্টার বুঝি না , আমার মনে হয় ইশ্বর দোষীদের শাস্তি দিয়েছে। যারা এই ধরনের ঘৃণ্য কাজ করতে পারে তারা তার পরিণাম সম্পর্কেও নিশ্চয় সচেতন।

গৌতম ঘোষ: চতুর্দিকে হিংসা আর রক্তপাত। যে দেশে গান্ধির আন্দোলন হয়েছিল শান্তিপূর্ণ। সেই দেশ যে এরকম হিংসাত্মক হয়ে উঠবে তা আমার কল্পনাতেও ছিল না। কে দোষী কে দোষী নয় তা পরের কথা, কিন্তু পরিবেশটা হিংসাত্মক। এর থেকে মুক্তির পথ জানা নেই। নতুন বাজার, অর্থনীতিতে লোভ সর্বস্ব হয়ে উঠেছে সবকিছু। মানবিক মূল্যবোধ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। মালদায় , উত্তরপ্রদেশে যা ঘটেছে সে তো বিকারগ্রস্ত একটা সমাজেরই পরিচয় দেয়।

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়: কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত, এতে কোনও সন্দেহ নেই, তবে দেশে আইন বলেও একটা বিষয় আছে। দুটোর মধ্যে ভারসাম্য থাকা দরকার। এটাও ঠিক যাদের সঙ্গে বা যে পরিবারের সঙ্গে এমন নারকীয় ঘটনা ঘটে তাদের পক্ষে আইন নিয়ে ভাবার অবকাশ নেই।

অঙ্কুশ: আমি খুব খুশি হয়েছি। এটাই ঠিক শাস্তি।

কোয়েল মল্লিক: আমি খবরটা শুনে খুশি। এটা ওদের প্রাপ্য ছিল।

ইত্তেফাক/বিএএফ