সত্যজিত্ বিশ্বাস
বউভাগ্য, সৌভাগ্য
স্ত্রী :সারাজীবন ধরে কিসের চাকরি করো, একটা ডায়মন্ডের গয়নাও তো কিনে দিলে না? ওদিকে দেখ, এক চেইনম্যান তার বউকে কোটিপতি বানিয়ে দিল।
স্বামী :বউভাগ্য আর সৌভাগ্য সবার জীবনে একসাথে ধরা দেয় নাগো বউ।
এতদিন বৈধ ছিল কী করে?
প্রথম ব্যক্তি :‘প্রতি তিনটি ইটভাটার একটি অবৈধ’—ভাবতে পারেন?
দ্বিতীয় ব্যক্তি :আমি অবশ্য ভাবছি অন্য কথা।
প্রথম ব্যক্তি :কী কথা?
দ্বিতীয় ব্যক্তি :এতদিন সেগুলো বৈধ ছিল কী করে?
একদিন টেলিফোনে
রোগী :হ্যালো ডাক্তার সাহেব, বিছানা থেকে উঠতে পারছি না। যদি একটা পরামর্শ দিতেন।
ডাক্তার সাহেব :হ্যাঁ হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। কী হয়েছে বলুন?
রোগী :কেঁপে কেঁপে জ্বর আসছে, শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, চোখ ব্যথা, বমি বমি ভাব, হাড়ে হাড়ে যন্ত্রণা। কী করব এখন?
ডাক্তার সাহেব :আপনার তো ডেঙ্গু হয়েছে। ক’দিন যাবত এ অবস্থা?
রোগী :বাসে পকেট মারতে গিয়ে গণধোলাই খাওয়ার পর আজ তিন দিন।
শুনে ডাক্তার সাহেব হা।
ভাবাই যায় না
প্রথম ব্যক্তি :‘প্রতি তিন ইটভাটার একটি অবৈধ’, ভাবতে পারেন?
দ্বিতীয় ব্যক্তি :জি না, ভাবাই যায় না।
প্রথম ব্যক্তি :ভাবা যায় না কেন?
দ্বিতীয় ব্যক্তি :আমার ইটভাটা আছে তো, তাই।
উন্নয়নের ইট
বক্তৃতারত নেতা :ভাইসব, উন্নয়নের জোয়ারে এইসব অবৈধ ইটভাটা হলো প্রতিবন্ধক। দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে সব প্রতিবন্ধক উপরে ফেলতে হবে।
পেছন থেকে একজন :সব প্রতিবন্ধক উপরে ফেললে উন্নয়ন করার এত ইট পাবেন কই?
কোন ইটভাটা বৈধ?
শিক্ষক :আইন অনুযায়ী বসতি এলাকা, কৃষিজমি, পাহাড়, বন ও জলাভূমির এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো ইটভাটা নির্মাণ করা যাবে না। করলে সেটা অবৈধ।
ছাত্র :বলেন কী, স্যার! তাহলে দেশে কোন ইটভাটা বৈধ?
সংখ্যা জানতেন কী করে শুনি?
পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ :সারা দেশে অবৈধ ইটভাটার সংখ্যা ৩ হাজারেরও বেশি।
সাংবাদিক :এ ব্যাপারে আপনারা কী ভূমিকা রেখেছেন?
পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ :কেন, প্রাথমিক তালিকা করেছি। নাহলে এ সংখ্যা জানতেন কী করে শুনি?
আরো দুইবার বাকি
ক্ষুব্ধ জনতা :গত ১০ বছরে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে আটবার। আর কত বার বাড়াবেন?
পিডিবি :বছরে একবার করে হলেও তো আরো দুইবার বাকি।
পুনরুদ্ধার
প্রথম বন্ধু :কাপ্তাই লেকে গবেষণায় তরী নামল কেন রে?
দ্বিতীয় বন্ধু :গবেষকরা বলেছেন, গবেষণার মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া মাছ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব, তাই।
প্রথম বন্ধু :ইশ, এমন একটা গবেষণা গাড়ি যদি রাস্তায় নামত।
দ্বিতীয় বন্ধু :কেন, তাহলে কী হতো?
প্রথম বন্ধু :রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোকে পুনরুদ্ধার করা যেত তাহলে।
যার যেমন ক্ষমতা
স্ত্রী :এক সামান্য চেইনম্যান, বিয়ে করে বউকে কোটিপতি বানিয়ে দিল। আর তুমি আমাকে কী বানিয়েছ শুনি?
স্বামী :কেন, পত্নী।
হাফ সেঞ্চুরি
পাতা কপি :কী রে ভাই, এভাবে নিজের দাম বাড়িয়ে দিলি?
ফুল কপি :কই টমেটো, পেঁয়াজ পাতা যে সেঞ্চুরি মারছে, তার বেলা তো কথা নেই! আর আমি হাফ সেঞ্চুরি মারলেও দোষ।
ওর মতো হয়ে দেখো
স্ত্রী :তুমি গোয়াল ঘরের গরুটাকে যতটা ভালোবাস, এর অর্ধেকও যদি আমাকে বাসতে?
স্বামী :তুমি ওর মতো বোবা হয়ে দেখো, এর দ্বিগুণ বাসি কি না।
স্কুলে না হাসপাতালে
প্রথম বন্ধু :জানিস, সরকারি হিসাবে লাখ ছাড়াল ভর্তি সংখ্যা।
দ্বিতীয় বন্ধু :বলিস কী? কোন স্কুলে এত ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে?
প্রথম বন্ধু :স্কুলে না হাসপাতালে। ছাত্রছাত্রী না রোগী।
মশা আর প্রেমিকদের মধ্যে মিল
প্রথম বান্ধবী :আচ্ছা বলো তো, মশা আর প্রেমিকদের মধ্যে মিল কী?
দ্বিতীয় বান্ধবী :চান্স পেলেই চুপিচুপি চুমু খাওয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
ও নিয়ে ভাববেন না স্যার
শিক্ষক :কী রে, হাতের লেখার এত জঘন্য অবস্থা কেন? বড়ো হলে তোর হাতের লেখা তো কেউই পড়তে পারবে না।
ছাত্র :ও নিয়ে ভাববেন না স্যার। বড়ো হলে তো আমি খাতায় লিখব না, লিখব কম্পিউটারে।
যা ভাবছ তা, তা না
স্ত্রী :কী হলো, খাট কাঁপাচ্ছ কেন?
স্বামী :না মানে...
স্ত্রী :কিসের না মানে? এত শব্দ করছ কেন? একটা কাজ ভালো করে করতে পার না?
স্বামী :না মানে...
স্ত্রী :আবার না মানে? এত শব্দে বাবু জেগে যাবে না?
স্বামী :না মানে, আমি তো চেষ্টা করছি, শব্দ যাতে কম হয়...
স্ত্রী :ঘোড়ার ডিম চেষ্টা করছ। দাও, বাবুকে আমার পায়ের উপর শুইয়ে দাও। দেখ, শব্দ না করে কীভাবে ঘুম পাড়াই।
মাত্র একটা কথা
প্রথম বন্ধু :কী রে, মন খারাপ করে আছিস কেন?
দ্বিতীয় বন্ধু :ধুর, আর ভালো লাগে না। ঘরে ঢুকলেই বউ ঝগড়া শুরু করে, সেই ঝগড়া চলতে থাকে সারারাত। একটু শান্তিতে থাকার কোনো উপায় নেই।
প্রথম বন্ধু :কী বলিস? আমার সঙ্গে যখন বউ ঝগড়া করে, তখন বউকে একটা কথা বলি, ওমনি বউ চুপ।
দ্বিতীয় বন্ধু :ওমা, তাই নাকি! তা, কী বলিস?
প্রথম বন্ধু :বলি, এবারের মতো ক্ষমা করে দাও, আর কখনো হবে না।