সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যরাতে চুয়েটে শিক্ষার্থী-পুলিশ মুখোমুখি

একে অপরের ওপর হামলার দাবি

রাউজান (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থী-পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের চুয়েট গেট এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। এ সময় পাঁচ পুলিশ ও চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেফায়েত উল্লাহ দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, মধ্যরাতে ১৫ ব্যাচের পুরকৌশল বিভাগের আনাস মৃধা নামে এক শিক্ষার্থী হঠাত্ দলবল নিয়ে এসে প্রধান ফটকে লাথি মারেন। একপর্যায়ে গেটে দায়িত্বরত পুলিশের চুয়েট ফাঁড়ির আইসির কাছে কৈফিয়ত চান তার কোচিং সেন্টারের ছেলেদের প্রবেশ করতে দেয়নি কেন। এ সময় তিনি দায়িত্বরত পুলিশের গায়ে হাত তুললে তাকে ধরে স্যারদের হাতে হস্তান্তর করা হয়। পরে চুয়েটের ছাত্ররা লাটিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও কাপ্তাই সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধের চেষ্টাও চালায়। এ সময় তাদের ইট-পাথরের টুকরার আঘাতে পাঁচ জন পুলিশ আহত হন।

১৫ ব্যাচের ইলেকট্রিকাল বিভাগে শিক্ষার্থী ওয়াসিফ রাশেদ বলেন, কিছু শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরে খেতে গিয়েছিল। তারা সঙ্গে আইডি নেননি। তারা যখন ফিরছিলেন তখন বহিরাগতদের ভিড় ছিল ফটকের বাইরে। এ সময় পুলিশ তাদের ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দেয়। আমাদের এক শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করলে পুলিশ তাদের দুই জনকে আটক করে আনসার কক্ষে নিয়ে যায়। পুলিশের আঘাতে চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

চুয়েট ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. মশিউল হক বলেন, অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশের হামলায় দুই শিক্ষার্থী আহত হয়। উত্তেজিত ছাত্রদের ইটের টুকরা ছুড়ছিল এতে হয়তো কারো গায়ে লাগতে পারে।