খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীর থানায় থানায় বিক্ষোভ

দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সারাদেশে বিক্ষোভ করেছে বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি। কর্মসূচি চলাকালীন হামলা চালিয়ে চকবাজার থানা বিএনপির নেতা মো. রফিক, মো. আসিফ, মইন, হূদয়সহ পাঁচ জন এবং শাহবাগে হামলা চালিয়ে কয়েক জনকে আহত করা হয়। এছাড়া পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে।

চকবাজার থানা :থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে উর্দু রোড থেকে শুরু হয়ে নুরফাতে লেন হয়ে লালবাগ চৌরাস্তায় গিয়ে মিছিল শেষ হয়। মিছিল চলাকালে পুলিশ হামলা চালিয়ে মো. আসিফ, মইন, হূদয়সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে। শাহবাগ থানা :থানা বিএনপির নেতা মো. জাহিদ হোসেন নোওয়াব ও রফিকুল ইসলাম স্বপনের নেতৃত্বে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে মিছিল শুরু হয়ে অমর একুশে হলের সামনে গেলে পুলিশ আ. রশিদ, সুমন, শাকিল, সুজনসহ ৮-১০ জনকে আহত করে এবং মো. রফিক নামে একজনকে গ্রেফতার করে। কোতোয়ালি থানা :থানা বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী বাবলা ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুর আজিমের নেতৃত্বে বাবুবাজার ব্রিজের সামনে থেকে শুরু হয়ে ইসলামপুরে গিয়ে মিছিল শেষ হয়। মিছিলে পুলিশ হামলা চালিয়ে দুই জনকে গ্রেফতার করে।  কদমতলী থানা :এখানে বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর বিএনপির সহসভাপতি হাজি মীর হোসেন মীরু। কদমতলী থানার উদ্যোগে আরো একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। রবিউল ইসলাম দিপুর নেতৃত্বে জুরাইন রেলগেট থেকে শুরু হয়ে দোলাইরপাড় মোড়ে গিয়ে মিছিল শেষ হয়। শ্যামপুর থানা :থানা বিএনপির সভাপতি আনম সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আলিমুল আল বারী জুয়েলের নেতৃত্বে একটি ও শ্যামপুর থানায় বিএনপির অপর একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। যাত্রাবাড়ী থানা :ঢাকা মহানগর বিএনপির সহসভাপতি ও যাত্রাবাড়ী থানার সভাপতি আলহাজ নবী উল্লাহ নবীর নেতৃত্বে শহিদ ফারুক রোড থেকে মিছিল শুরু হয়ে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। নিউমার্কেট থানসহ সব থানা এলাকায় নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ মিছিল করেন।