কোচিং উপভোগ করছেন হার্শেল গিবস

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আগে খেলোয়াড় হিসেবেও ছিলেন হার্শেল গিবস। ২০১২ সালে তিনি খেলেছেন রয়্যাল বেঙ্গলসের হয়ে। এবার এসেছেন সিলেট থান্ডার্সের কোচ হয়ে। দুই সময়ের পার্থক্যটা তার চেয়ে ভালো আর কে-ই বা বুঝবে।

মিরপুরে বসে গতকাল তিনি বলেন, ‘উইকেটের তেমন পরিবর্তন হয়নি। আপনাকে যে উইকেট দেয়া হবে সেখানেই খেলতে হবে। আমি ২০১২ সালে খেলেছি একবার মাত্র। তখনকার চেয়ে ক্রিকেটারদের দক্ষতা অনেক বেড়েছে নিঃসন্দেহে। তবে চাপের মুখে সবকিছু মানিয়ে নেয়ার ব্যাপারটি এখনও পরিবর্তন হয়নি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চাপ সামলে খেলাটাই মূল বিষয়। খেলাটির প্রতি আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে ক্রিকেটারদের। ব্যাটসম্যানরাও বল মেরে খেলতে পারছে আরো বেশি।’

খেলোয়াড়ি জীবন আর কোচিংয়ের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য দেখেন না গিবস। তিনি বলেন, ‘কোনো পার্থক্য নেই। আমি অনেক কর্মশক্তি, আবেগ এবং দক্ষতা নিয়ে খেলেছি। যেটা আমার ক্রিকেটারদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। কোচ হিসেবে দলকে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলা শেখাচ্ছি আমি। আমি পরবর্তী ১০ বছর খেলতে পারব। অবশ্যই মনে করি খেলার জন্য আমি এখনো তরুণ। এমন অনেক লিগ শুরু হয়েছে, যেখানে বিশেষ করে এরকম ক্রিকেটার খোঁজে।’

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের নেতৃত্বে খেলতে নামছে সিলেট। আজ প্রথম দিনে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মুখোমুখি হবে দলটি। কোচের দায়িত্বটা উপভোগ করছেন গিবস। বললেন, ‘এমন মঞ্চ আমি উপভোগ করি। আমার দলে অনেক ক্রিকেটার আছে যারা এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেনি। এটা তাদের জন্য বড়ো মঞ্চ। আমি আগামী কয়েক সপ্তাহ তাদেরকে আপন করার চেষ্টা করব এবং তাদেরকে নিজের প্রতিভার ওপর বিশ্বাস অর্জন করাব। এই টুর্নামেন্টে অনেক বড়ো বড়ো নাম রয়েছে এবং এখানের চ্যালেঞ্জটা খুবই ভালো।’