আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগে আর দূষিত রক্ত রাখা হবে না। বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করা হবে। যারা টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, মাদকসেবীদের দলে টানবে কিংবা তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের কোণঠাসা করে জমিদারি আচরণ করবেন তাদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই। নিজের পকেটের উন্নয়ন নয়, জনগণের উন্নয়নের জন্য যারা কাজ করেন তারা নেতৃত্বে আসবেন। আসুন আমরা শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানকে সফল করি।
বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে নিমতলায় এ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু জাহির এমপি। সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ খান এমপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের প্র্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, কেন্দ ীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, কেন্দ ীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ, কেন্দ ীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এমপি, গাজী মো. শাহনেওয়াজ এমপি প্রমুখ।
ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিববর্ষের মতো দুটি বিশাল উদ্যাপনকে সামনে রেখে দলকে টেকনোলজির সঙ্গে ট্র্যাডিশন, মর্ডানিটির সঙ্গে আইটি, রিয়েলিটির সঙ্গে আইডিয়োলিজমকে সমন্বয় করে আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নেব। বিএনপি সংখ্যালঘু বান্ধব দল—দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার বক্তব্য শুনে হাসব না কাঁদব ভেবে পাচ্ছি না। ২০০১ সালে নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর বিএনপি যে হামলা, নির্যাতন. লুটপাট হয়েছে তা ৭১ এর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। এদেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া সংখ্যালঘু বান্ধব কোনো দল নেই। পরে বর্তমান সভাপতি আবু জাহির এমপিকে পুনরায় সভাপতি ও সহসভাপতি আলমগীর চৌধুরী অ্যাডভোকেটকে সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিদ খান এমপিকে দলের জাতীয় পরিষদ সদস্য পদে নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।