রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে মিয়ানমার সেনাদের জবাবদিহি করতে হবে --------------মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস নির্যাতনের ঘটনায় মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের জবাবদিহি করতে হবে। এ ঘটনায় নতুন করে দেশটির চার সেনা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার মিয়ানমারের চার সেনা কর্মকর্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বিষয়টি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও আমরা অবহিত করেছি। মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে রাখাইন থেকে পালিয়ে গত দুই বছরে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকেই সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমার সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো প্যাসিফিক ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করতে চায়। এ কারণেই এই পদক্ষেপ এসেছে। এর আগেও মিয়ানমারের কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে গতকাল এক বিবৃতিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, রাখাইনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র ও অর্থ দপ্তর মঙ্গলবার গ্লোবাল ম্যাগনিটস্কি প্রোগ্রামের অধীনে মিয়ানমারের চার শীর্ষ বর্তমান এবং সাবেক সামরিক কর্মকর্তার ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র  মিয়ানমারের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে গুরুতর অন্যায়ে জড়িতদের জবাবদিহি এবং এসব ঘটনার শিকার হওয়া মানুষের জন্য ন্যায়বিচারকে সমর্থন করে।