একটা সময় গ্রামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বাহন ছিল মহিষের গাড়ি। গ্রামবাংলার জনপদে কৃষি ফসল বাহনের অন্যতম মাধ্যম ছিল এটি। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে মহিষের গাড়ি। মহিষ কিংবা গরুর গাড়ির স্থান হয়েছে সংবাদপত্র ও বইয়ের পাতায়। তবে কুষ্টিয়ার কিছু উপজেলার গ্রামে এখনো চোখে পড়ে মহিষের গাড়ি।
কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার শান্তিডাঙ্গা গ্রামের মনিরুল ইসলাম মহিষের গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। বাপ-দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখনো এই পেশায় আছেন। হেমন্তের সোনালি ধান বহনের জন্য শান্তিডাঙ্গা গ্রামের মাঠগুলোতে মহিষগাড়ি দেখা মিলছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গাড়িতে করে ধান বহন করে তারা।
বর্তমানে মানুষ প্রয়োজনীয় মালামাল বহনের জন্য ব্যবহার করছে ট্রাক, পাওয়ারটিলার ও লরিসহ বিভিন্ন মালগাড়ি। যাতায়াতের জন্য রয়েছে মোটরগাড়ি, রেলগাড়ি, অটোরিকশা ইত্যাদি। ফলে এখন আর তেমন চোখে পড়ে না মহিষের গাড়ি।