ডিএপি সারের দাম কমানোর ঘোষণা হলেও সরকারিভাবে চিঠি না আসায় ঝিনাইদহে আগের দামেই সার বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ডিএপি সারের দাম ছিল ২৫ টাকা। কেজিপ্রতি ৯ টাকা কমিয়ে ১৬ টাকা ধার্য করা হয়।
জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও সরকারিভাবে চিঠি জেলা প্রশাসকের অফিস বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আসেনি। অনেক স্থানে চাষিদের সঙ্গে ডিলারদের বাগিবতণ্ডাও হচ্ছে।
জেলা বিসিআইসি সার ডিলার সমিতির সভাপতি হাজি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, চলতি মাসের জন্য বরাদ্দকৃত ডিএপি সারের জন্য আগের রেটে টাকা জমা দিতে হচ্ছে। সরকারি পরিপত্র না আসা পর্যন্ত দাম কমবে না বলে তিনি আরো জানান।
শৈলকুপা উপজেলার বিজুলিয়া গ্রামের চাষি বাচ্চু মোল্লা জানান, বর্তমানে পেঁয়াজ, মসুরি, মটর, খেসারি, সরষে, গমসহ সব ধরনের রবি ফসল চাষ শুরু হয়ে গেছে। এ সময় সারের প্রয়োজন। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ও সার মনিটরিং কমিটির সভাপতি সরোজ কুমার নাথ বলেন, ডিএপি সারের দাম কমানোর সরকারি আদেশ আসেনি। এলে দাম কমানো হবে।