ঝিনাইদহে সরকারি ধান সংগ্রহে গতি নেই

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে সরকারি ধান সংগ্রহ গতি পায়নি। গত ২৩ দিনে মাত্র ১৫ টন ধান কেনা হয়েছে। এদিকে ধানের কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে চাষিরা হতাশা ব্যক্ত করছেন। ঝিনাইদহ জেলায় এবার ১১ হাজার ৩২৭ টন আমন ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রতি কেজি ২৬ টাকা দরে কেনা হবে। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের উপপরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টরে রোপা আমনের চাষ হয়েছে। ধান কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন চলছে মাড়াই ও শুকানোর কাজ।  চাষিদের তালিকা তৈরি করে উপজেলায় জমা দেওয়া হয়েছে। শৈলকুপার পাঠানপাড়া গ্রামের চাষি মনিরুল ইসলাম বলেন, পাঁচ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। চিকন ধান ধানিগোল্ড প্রতি মন ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই দামে ধান বিক্রি করে লাভ থাকবে না। সরকারি গুদামে বিক্রির কার্ড পাননি তিনি।

ব্রহ্মপুর গ্রামের চাষি মফিজউদ্দিন জানান, চাষের খরচ বেড়েছে। এই দামে ধান বিক্রি করলে লোকসান হবে। হাট গোপালপুরের অটো রাইস মিলের মালিক বিকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, ধানের দাম কমেছে। মোটা ধান প্রকার ভেদে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা মন দরে কেনাবেচা হচ্ছে। চিকন ধান পাইকারি  ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা মন দরে কেনাবেচা হচ্ছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ আনোয়ারুল করিম জানান,এবার ঝিনাইদহের পাঁচ উপজেলায় লটারির মাধ্যমে চাষি বাছাই করা হবে। আর সদর উপজেলায় অ্যাপসের মাধ্যমে চাষি বাছাই করা হবে। শৈলকুপা, হরিণাকুন্ডু, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলায় লটারির মাধ্যমে চাষি বাছাই শেষ হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় জোরদার করা হবে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় একটু দেরি হবে।