জোকস
সত্যজিত্ বিশ্বাস
জোকস নং-১ :সব চোরের দল
ঠাট্টা পাঁচশ সংখ্যার, পাঁচশ পেপার নিয়ে দৌড়ে পালাতে গিয়ে ধপাস করে পড়ে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে হারু চোর।
পুলিশ :কীরে, এই লাইনে কত দিন?
হারু চোর :স্যার, পাঁচ বছর।
পুলিশ :এতগুলো পেপার নিয়ে কেউ একলা দৌড়ায়? পাঁচ বছরেও একটা সাগরেদ জোগাড় করতে পারলি না?
হারু চোর :কী যে কন, স্যার! এই যুগে কোনো বিশ্বাসী লোক আছে? সব চোরের দল।
জোকস নং-৪ :দৃষ্টিভঙ্গি
সাংবাদিক :প্রথম সংখ্যা থেকে এই পাঁচশতম সংখ্যা পর্যন্ত তো অনেকেই সম্পাদনা করেছেন। কোন সম্পাদক আপনার চোখে সেরা?
বিশিষ্ট সমালোচক :আমি সবাইকে এক চোখেই দেখি।
সাংবাদিক :আহা রে! অন্য চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন কবে?
জোকস নং-৯ :প্রশ্ন
—বলেন তো দেখি, প্রথমবার স্কাই ডাইভিং করতে কী লাগে?
—কী বললেন? প্যারাসুট লাগে? ধুর, কিচ্ছু লাগে না। ঝাঁপাইয়া পড়লেই হয়। প্যারাসুট লাগে দ্বিতীয়বার স্কাই ডাইভিং করার ইচ্ছা থাকলে।
জোকস নং-১৬ :পাল্টা প্রশ্ন
—আচ্ছা এইবার বলেন তো, প্রথমবার বিয়া করার সময় কী লাগে?
—আরে ভাই, এত কী ভাবেন? ফরমেট তো আগেরটাই। কিচ্ছু লাগে না। শুধু ঝাঁপাইয়া পড়লেই হয়।
জোকস নং-২৫ :কে সুখী?
—আপনি কি সুখী?
—জি না, আমি বিবাহিত।
জোকস নং-৩৬ :আশায় আশায়
ঠাট্টারু প্রেমিক :আর দুইটা বছর অপেক্ষা করো সোনা, তারপর যা খেতে চাও, খাওয়াব।
প্রেমিকা :কেন, তখন কী হবে?
ঠাট্টারু প্রেমিক :না মানে, ৫০০তম সংখ্যা পর্যন্ত তো কিছু পেলাম না, ৬০০তম সংখ্যা থেকে নিশ্চয়ই চেক পাব।
জোকস নং-৪৯ :এক লাইনের আষাঢ়ে গল্প
সম্পাদক সাহেব বলেছেন, ঠাট্টা এখন থেকে ছাপা হওয়া প্রতিটা লেখার জন্য বিল পেমেন্ট করবে।
জোকস নং-৬৪ :কোথায় চাকরি করে?
—বল তো বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে কোথায় চাকরি করে?
—ফেসবুকে।
জোকস নং-৮১ :আগেরটা পরে, পরেরটা আগে
স্ত্রী :পাঁচশ টাকা চাইলাম বলে এমন ব্যবহার করলে? ইচ্ছা করে তোমাকে গুলি করে মেরে গলায় দড়ি দিই।
স্বামী :সাহস থাকলে এখনই করো দেখি। শুধু আগের কাজটা পরে আর পরের কাজটা আগে করো তো।
জোকস নং-১০০ :বউ, তবে নিজের না
ব্যাচেলার বন্ধু :আসার সময় দেখলাম, পার্কে এক লোক কী রোমান্টিক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বউয়ের সাথে কথা বলছে।
বিবাহিত বন্ধু :তাহলে ওটা ওর বউ না।
ব্যাচেলার বন্ধু :না দেখেই কী করে বুঝলি?
বিবাহিত বন্ধু :বিবাহিতরা কখনো পার্কে বসে নিজের বউয়ের দিকে রোমান্টিক দৃষ্টিতে তাকিয়ে কথা বলে না।
জোকস নং-১২১ :সেরা তিন
কী সেই তিন, যা শত চেষ্টা করেও বোঝা যায় না?
১. নারীর মন ২. রাজনীতি
আর... আর... আর... ৩. ঠাট্টার জোকস।
জোকস নং-১৪৪ :অকাট্য যুক্তি
পুলিশ :কী রে, চুরি করিস কেন?
চোর :ডাকাতি করলে ভাগা দিতে হয় যে।
জোকস নং-১৬৯ :স্টার না মুন
মা :কী রে সবার রেজাল্ট কার্ডে স্টার ভর্তি, তোর রেজাল্ট কার্ডে সব গোল্লা কেন?
ছেলে :গোল্লা কই দেখলে? স্টার তো সবাই পায়, আমি পাই ফুল মুন।
জোকস নং-১৯৬ :পাঠোদ্ধার
প্রথম বন্ধু :আচ্ছা, ডাক্তারদের প্রেম, ভালোবাসা সাধারণত ডাক্তারণীদের সাথেই হয় কেন?
দ্বিতীয় বন্ধু :হিব্রু ভাষায় লেখা প্রেমপত্রের পাঠোদ্ধার আর কে করতে পারবে শুনি?
জোকস নং-২২৫ :হাত কিন্তু চলবে
স্বামী :আমার শার্ট, প্যান্টগুলো ধুয়ে রেখো। অফিস থেকে ফিরে যদি দেখি ওগুলো ধোয়া হয়নি, তখন কিন্তু আমার হাত চলবে।
স্ত্রী :এত্ত বড় সাহস? কী বললে, আরেকবার বলো তো শুনি?
স্বামী :শুধু শুধু ভুল বোঝো কেন? বললাম, তুমি ধুয়ে না দিলে অফিস থেকে ফিরে আমিই ধুয়ে ফেলব।
জোকস নং-২৫৬ :এত অল্পতেই অধৈর্য
কচ্ছপ বউ :পাঁচশ বছর অনেক সহ্য করেছি, আর পারব না। ঝাঁটা মারি তোমার সংসারে।
কচ্ছপ স্বামী :এত অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যাও? কই ঠাট্টাও তো পাঁচশতম সংখ্যা বের করছে, ঠাট্টা সম্পাদককে কখনো অভিযোগ করতে দেখেছ? দেখেও তো কিছু শেখা যায়, নাকি?
জোকস নং-২৮৯ :যেমন প্রশ্ন, তেমন উত্তর
চাকরিদাতা :বলেন তো, প্লুটো থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কত?
প্রার্থী :চাকরি হওয়া থেকে আমার দূরত্ব যত, ঠিক তত।
জোকস নং-৩২৪ :চেনাচিনি
পাড়ার মাস্তান :ওই, আমারে চিনস? আমি এলাকায় ঢুকলে এলাকা থরথর কইরা কাঁপে।
দোকানদার :ও বুঝছি। আপনার নাম ‘ভূমিকম্প’, ঠিক কইছি না ভাইজান?
জোকস নং-৩৬১ :ভার্চুয়াল ফ্রেন্ড
প্রবাসী এক লোকের ফেসবুক স্ট্যাটাস :মনটা খুব খারাপ। এমন একটা বন্ধু নেই যে পিঠে হাত রেখে বলবে, পাশে আছি।
সঙ্গে সঙ্গে সেই স্ট্যাটাসে বাংলাদেশি ফেসবুক বন্ধুর লাইকসহ কমেন্ট :ভেব না বন্ধু। লাইক, কমেন্ট দিয়ে সব সময় পাশেই আছি।
জোকস নং-৪০০ :ক্রস ম্যাচ ছাড়াই
প্রথম বন্ধু :বল তো, কে ক্রস ম্যাচ ছাড়াই সব গ্রুপের রক্ত নিতে পারে?
দ্বিতীয় বন্ধু :মশা।
জোকস নং-৪৪১ :আমারও তো কিছু বলতে ইচ্ছে করে
স্ত্রী :কী ব্যাপার, ঘুমের মধ্যে বিড়বিড় করো কেন?
স্বামী :অফিসে শুনি বসের কথা, বাড়ি ফিরে তোমার। আমারও তো কিছু বলতে ইচ্ছে করতেই পারে।
জোকস নং-৪৮৪ :আমার কি ডায়বেটিস?
প্রেমিক :ওগো তুমি কি জানো, সারাদিন তুমি আমার হূদয়ে হাঁটাহাঁটি করো?
প্রেমিকা :আমি সারাদিন হাঁটাহাঁটি করতে যাব কেন? আমার কি ডায়বেটিস?
জোকস নং-৫২৯ :ভাঙচুর করতে হবে কেন?
স্ত্রী :ইচ্ছে করে, সব ভেঙেচুরে বাপের বাড়ি চলে যাই।
স্বামী :ভাঙচুর করতে হবে কেন? সব নিয়েই চলো না।
জোকস নং-৫৭৬ :অমায়িক না অ-মাইক
গার্জিয়ান :স্যার, আমার ছেলেটাকে আপনার স্কুলে ভর্তির সুযোগ দেন। নিজের ছেলে বলে বলছি না, এমন অমায়িক ছেলে আর দুটো পাবেন না।
ভর্তির দুই মাস পর।
হেড স্যার :ওর চেঁচামেচিতে তো স্কুলের জানালার সব কাচ ভেঙে পড়ার জোগাড় হয়েছে। এই আপনার অমায়িক ছেলে!
গার্জিয়ান :বলেছিলাম না, এমন অ-মাইক ছেলে আর দুটো পাবেন না।
* বর্গমূূল করলেই প্রকৃত জোকস সংখ্যা জানতে পারবেন।