কিছুকাল বৃহস্পতি

অহ নওরোজ

 

অনেক কিছুই থাকে পৃথক সীমায়।

মনে আছে এখনো নতুন—

চুলের সুরভি ভেঙে পড়ে হাতের আঘাতে,

এ ছবি চিরদেখা, স্মরণের দাগে।

তবু,

রাত্রি মরে আসার কালে নক্ষত্রেরা আবার জ্বলে,

যেন তীক্ষ দুপুর!

আর তুমি, পুরুষ তুমি— মানুষ

কাঁপুনি ছড়াও গোলাকার চারদিকে,

সুশব্দ বাতাসে গাছের পাশ ধরে

শয্যার মতো উন্মুখ ঘাস যেখানে

কখনো বর্ধিষ্ণু ঝরাপাতা—

মেশে রাত্রিদিন সেখানে— কী সুন্দর!

বাগানে পলাশ— রোদে ভরে আছে

মধুর গাঢ় ঘাসে হেঁটে হেঁটে

যেন ছোটো পাখি কথা গড়ে বিকেলের লালে—

তবু কিছু আলো— সারাকাল পৃথক সীমায়!

 

তুমি না-দেখলে ব্যর্থ হয় সকল প্রসাধন—

আগন্তুক পাখির অচির কণ্ঠের মতো সুর ভরা,

সোনালি রৌদ্রের দিন কখনো যেমন নাতিদীর্ঘ!

তবু হূদয়ে আলো-দিবসের সুঘ্রাণ এড়িয়ে

অরণ্যের ঝিকিমিকি কিংবা গোধূলিবেলা পেরিয়ে

অনেক কিছুই থাকে পৃথক সীমায়।