সারা দেশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সোমবার উদ্যাপন করা হয়েছে বিজয় দিবস। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
ময়মনসিংহ :ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড়ের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি ও সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। এরপর সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি নিবাস চন্দ্রমাঝি, জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান ও পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর রফিক উদ্দিন ভুঁইয়া স্টেডিয়ামে দিনের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান। খুলনায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণ করা হয়। সকাল ৬টায় প্রথমে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, ডিআইজি চট্টগ্রাম খন্দকার গোলাম ফারুক, পুলিশ কমিশনার মাহাবুবর রহমান, জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনসহ অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের টেরাকোটা ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীরা। শিক্ষা উপমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের নেতৃত্বে সকাল ১০টায় নগরীতে বের হয় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় র্যালি।
ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) :উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি-জেপি, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও তার অঙ্গসংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক ও পৌরসভার পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
পরে স্থানীয় বিহারী লাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাইরের মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, স্কাউট, গার্লস গাইড, কাব দল এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনসহ বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা, সম্মাননা, আলোচনা সভা, ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা, ফ্রি ভূমিসেবা ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. নাজমুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম মিরাজ। আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাইজুর রশিদ খশরু জোমাদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা ও পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নিজামুল হক নান্না, মুক্তিযোদ্ধা আ. রশিদ মৃধা, আলি বাহাদুর খান, মো. সেলিম সিকদার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা আখতার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তৌহিদুল ইসলাম, ওসি এস এম মাকসুদুর রহমান, যুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল আজিজ সিকদার, জাতীয় পার্টি-জেপির উপজেলা সদস্য ও ধাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান টুলু, ইউপি চেয়ারম্যান খান এনামুল করিম পান্না, মো. হুমায়উন কবির, মো. শামসুউদ্দিন হাওলাদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বাংলাদেশ চাপ্টারের সদস্য বাবুল চন্দ্র দাস, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কিরন চন্দ্র বসু প্রমুখ।
সিলেট :নগরীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। সিলেট বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার, সিলেট জেলা পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিলেট জেলা ও মহানগর শাখা, জাতীয়তাবাদী দল জেলা ও মহানগর শাখা, সাংবাদিকদের সকল সংগঠন, সিলেট লিডিং ইউনিভার্সিটি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটিসহ সকল সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করে।
খুলনা :খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বাহিনী, প্রতিষ্ঠানের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান ও শরীরচর্চা প্রদর্শন হয়। এ সময় খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন, পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুত্ফুল কবির এবং পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ বিশেষ অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সন্তানদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
কুমিল্লা :কুমিল্লা টাউন হলের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে স্থানীয় এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আঞ্জুম সুলতানা সীমা, জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
বেরোবি (রংপুর) :বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার শোভাযাত্রা বের করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী ইউনিয়ন, শিক্ষকদের সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ, নীল দল, ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিসহ(বেরোবিসাস) বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী স্বাধীনতা স্মারকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।
এছাড়া পিরোজপুরের কাউখালী, মঠবাড়িয়া ও স্বরূপকাঠি, ঝালকাঠির কাঠালিয়া, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী ও দুমকি, ফরিদপুরের নগরকান্দা ও চরভদ্রাসন, বরিশালের আগৈলঝাড়া, রংপুরের বদরগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, চট্টগ্রামের মিরসরাই, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা, মেহেরপুরের গাংনী, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, কিশেরগঞ্জের নিকলী উপজেলাসহ সারাদেশেই দিবসটি উদ্যাপন হয়েছে।
বরিশাল :সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ লাইনস মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এদিকে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠন বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া সদর রোডের দলীয় কার্যালয় চত্বর থেকে আওয়ামী লীগ এবং প্রায় একই সময়ে সদর রোডের দলীয় কার্যালয় চত্বর থেকে বিজয় র্যালি বের করে বিএনপি। অপরদিকে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। এছাড়াও দিনভর আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে উপাচার্য প্রফেসর মো. ছাদেকুল আরেফিনের নেতৃত্বে বিজয় র্যালি বের হয়।
শরীয়তপুর :কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে সরকারের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের ও পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম। এরপর মুক্তিযোদ্ধা এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে।
গাইবান্ধা :স্থানীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মতিন। পরে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন করে।
নীলফামারী :শিল্পকলা একাডেমিতে পোস্টার ও পুস্তক প্রদর্শনী এবং নীলফামারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী। সেখানে সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শারীরিক কসরত প্রদর্শন, মুক্তিযোদ্ধা সুধীজন ও ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রীড়ানুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এদিকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ।
চাঁদপুর :চাঁদপুর সার্কিট হাউজে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকালে স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা, শিশু-কিশোরদের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং সন্ধ্যায় বিজয় মেলা মঞ্চে আলোচন ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
লক্ষ্মীপুর :বিজয় চত্বর স্মৃতি সৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল, জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল, পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু প্রমুখ। পরে লক্ষ্মীপুর জেলা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
নড়াইল :স্মৃতিসৌধ, গণকবর, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম, জেলা আওয়মী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, পৌর মেয়র মো. জাহাঙ্গীর বিশ্বাস প্রমুখ।
সিরাজগঞ্জ :স্থানীয় মুক্তির সোপানে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নরসিংদী :নরসিংদী মুছলেহ উদ্দিন ভুঁইয়া স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন ও পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বিপিএম (বার) পিপিএম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে প্যারেড ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। পরে শিল্পকলা একাডেমিতে মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে স্মার্ট জাতীয় পরিচয় পত্র বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।