কুড়িগ্রামের উলিপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবু তাহের জুতা পায়ে শহিদ মিনারের বেদীতে উঠায় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে ক্যাম্পাসে গণধোলাই দিয়েছে। গতকাল সোমবার কলেজ চত্বরের শহিদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে তিনি জুতা পায়ে বেদীতে উঠেন। বর্তমানে তিনি উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মেডিক্যাল অফিসার জাকিয়া সুলতানা। তিনি জানান, তার শরীরের কয়েক জায়গা ফুলে গেছে ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, তার শরীরে সামান্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে আবু তাহেরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে, তিনি জুতা পায়ে ওঠার কথা স্বীকার করে বলেন, অজান্তে জুতা পায়ে উঠেছি। উলিপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ অভিযুক্ত অধ্যক্ষের অবিলম্বে অপসারণ ও বিচার দাবি করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন মন্টু বলেন, এটি শহিদদের প্রতি চরম অবমাননা। আমি তার এ আচরণের নিন্দাসহ বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক এম এ মতিন বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না, তাদের কোনো না কোনো কর্মের মধ্য দিয়ে সেই চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। অবশ্যই তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।