ফরিদপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি ইয়াসিন পুলিশের সঙ্গে ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। এ সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহরের লঞ্চঘাট জোড়া ব্রিজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াসিন শহরের ওয়্যারলেস পাড়ার মনি শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, রাজেন্দ্র কলেজের মেলার মাঠের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে ছবি সংগ্রহ করে আসামি ইয়াছিনকে চিহ্নিত করা হয়। এরপর রাতেই জনগণের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে প্রতিবন্ধী শিশু ফাতেমাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। হত্যায় ব্যবহূত ছুরি ও পোশাক লঞ্চঘাট এলাকায় মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে বলে পুলিশকে জানায় ইয়াছিন। পুলিশ ইয়াছিনকে নিয়ে সেই আলামত উদ্ধারে গেলে ইয়াছিন পুলিশ সদস্যের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ পালটা গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় ইয়াছিন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।