বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবানে কালাঘাটা সড়কে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লোকজন। শুষ্ক মৌসুমেও বান্দরবান পৌরসভার কালাঘাটা সড়কে হাঁটুপানি থাকে। খানা খন্দে ভরা সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোটো বড়ো দুর্ঘটনাও।
কালাঘাটার বাসিন্দা মিলন, টিটু ও নয়ন অভিযোগ করেন, এই সড়কের সমস্যা দীর্ঘদিনের। পাহাড় কেটে বসতি স্থাপনের ফলে বৃষ্টিতে মাটি ধুয়ে এসে ভরে গেছে ড্রেনগুলো। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় মানুষের ব্যবহারের পানিগুলো সরে যাওয়ার পথ পাচ্ছে না। অপরিকল্পিত বসতি নির্মাণ এবং ড্রেনেস ব্যবস্থা না থাকায় বাজার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ঘরবাড়িতে ব্যবহূত ময়লা-আবর্জনাযুক্ত নোংরা পানিগুলো রাস্তায় জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা এবং শুষ্ক মৌসুমে এই সড়কের অবস্থা একই রকম থাকে। দূর থেকে নতুন যে কারোর-ই মনে হতে পারে, এটি সড়ক নয়, জলাশয়! সড়কগুলো খানাখন্দেও ভরা।
গণপরিবহনের চালক আবু জাফর ও মো. মাসুম বলেন, নতুন ব্রিজের পর থেকে তুমব্রুপাড়া রাস্তার মুখ পর্যন্ত সড়কটি সম্পূর্ণ ভাঙা। সড়কের মাঝখানে ছোটো-বড়ো অসংখ্য গর্ত। এছাড়া শিশু পরিবার গেট থেকে বড়ুয়াটেক মোড় পর্যন্ত সড়কটি জলাবদ্ধতায় নোংরা পানিতে ডুবে থাকে সারা বছর। এটি জলাশয় নাকি রাস্তা দূর থেকে দেখে বোঝার কোনো অবকাশ নেই। ভাঙা সড়কে গাড়ি চালানোর কারণে প্রতি দিনই কোনো না কোনো যন্ত্রাংস নষ্ট হচ্ছে। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনাও।
পৌর কাউন্সিলর অজিত দাস বলেন, মাটি জমে পানি নিষ্কাশনের রাস্তাগুলো ভরে গেছে। পানি অপসারণের কাজ শুরু করেছি। পানি সরে গেলে বালু ও কংক্রিট ফেলে রাস্তাটি সংস্কার করা হবে।
বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. ইসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ের মাটি জমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বিকল হয়ে গেছে। ফলে বাসাবাড়িতে ব্যবহারের পানি সড়কে জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজও করা হবে। পৌরবাসীর ভোগান্তি লাঘবে পৌর এলাকায় উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।