সবাই যদি এইরকম সচেতন হতো

মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ থেকে শ্যামলী যাওয়ার সময় প্রতিদিন সকালে একজন ব্যক্তির রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া অনেকের নজরে পড়েছে। এই ব্যক্তি সিটি করপোরেশনের কোনো ঝাড়ুদার নন। তিনি একজন সচেতন মানুষ। রাস্তার পাশেই তাঁর একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আছে। প্রতিষ্ঠানটি রাস্তা থেকে একটু নিচে। রাস্তার ধুলা-বালি যাতে বাতাসে উড়ে তাঁর প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে না পারে সেজন্য তিনি প্রতিদিন দোকানের সামনের অংশ ঝাড়ু দেন। এভাবে যদি তাঁর মতো করে প্রত্যেক দোকানদার তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা অফিসের সামনের অংশ নিয়মিত পরিষ্কার করতেন, তাহলে হয়তোবা ঢাকা নগরী মারাত্মক বায়ুদূষণের নগরীতে পরিণত হতো না।

রাজধানী ঢাকা শহরে লোকসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনও বাড়ছে। শহরের পরিধি বাড়লেও আনুপাতিক হারে যাতায়াতের রাস্তা বাড়ছে না। এই শহর আধুনিকতার ছোঁয়া না পেলেও কিছু কিছু ভবনে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। রাস্তায় প্রতিদিন যে হারে যানবাহন চলছে সে হারে গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় প্রাইভেট কারগুলো রাস্তার ওপর পার্কিং করছে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে। ফুটপাতের ওপর অবৈধ মার্কেটও যানজটের অন্যতম একটি কারণ। সচেতনতার অভাবে লোকজন যেখানে সেখানে ময়লা ফেলছে। রাস্তার ওপর ইট-বালি-সিমেন্ট-রড রেখে বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। রাস্তার ওপর ইট ভাঙার মেশিন বসিয়ে বিকট শব্দ সৃষ্টি করায় আশেপাশের মানুষের যে সমস্যা হচ্ছে, সে বিষয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। এ ব্যাপারে কি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায় না?

মো. সোয়েব মেজবাহউদ্দিন

মোহাম্মদপুর, ঢাকা