রাজধানীর সবুজবাগের পূর্ব মাদারটেকের একটি বাসা থেকে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম হামিদা খাতুন (২২)। গত সোমবার মধ্যরাতে পুলিশ বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে হামিদার স্বামী পলাশ পলাতক রয়েছেন।
পুুলিশ জানায়, পূর্ব মাদারটেক এলাকায় একটি বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন হামিদা ও পলাশ। তাদের সংসারে চার বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। হামিদা পলাশের দ্বিতীয় স্ত্রী। গত সোমবার রাতে পলাশ তার এক বন্ধুকে নিয়ে বাসায় যান। পরে বাসায় চিত্কার চেচামেচির ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর তিনি বন্ধুকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এরপরই প্রতিবেশিরা ঐ বাসায় গিয়ে হামিদাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশকে জানালে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। নিহতের মেয়ে ও প্রতিবেশীদের কাছে পুলিশ জানতে পেরেছে যে পলাশ ও তার বন্ধু মিলে হামিদাকে হত্যা করেছে।
সবুজবাগ থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, ঐ নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পলাশ তার স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়েছেন। এতে তার বন্ধু সহায়তা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঐ দুই জনকেই চিহ্নিত করে আটকের চেষ্টা চলছে।