চট্টগ্রামে আদালতের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ

 চট্টগ্রাম অফিস

বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি লাঘবে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্ক ফোর্স সভা, বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা, জেলা প্রশাসক সমন্বয় সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে এই তাগিদ দেওয়া হয়।

সভায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেন, মাদক, চোরাচালান, ছিনতাই, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, চুরি, ডাকাতি, ইভটিজিং, জায়গা-জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও অন্যান্য অপরাধে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মামলা রুজু  হচ্ছে। বিচারক সংকট, ধার্য তারিখে মামলার শুনানি না করা, আইনজীবীদের ব্যস্ততা ও বিভিন্ন কারণে আদালতগুলোতে মামলার জট লেগে আছে। মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি না হওয়ার কারণে বাদী-বিবাদীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। এগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিচারকসহ সংশ্লিষ্টদের আরো আন্তরিক হতে হবে। বিভাগীয় কমিশনার কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও ফেনীসহ সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে তেল পাচার রোধে সড়ক পথের পাশাপাশি নৌপথে বিজিবি-কোস্ট গার্ডসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল আরো জোরদার করার নির্দেশ দেন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ার ইন্দ্রপুলসহ কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর যত্রতত্র দাঁড়িয়ে ট্রাকে লবণ লোডিং-আনলোডিং বন্ধের নির্দেশ দিয়ে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, লবণের পানি পড়ার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি পিচ্ছিল হয়ে প্রতিনিয়ত ছোটো-বড়ো দুর্ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি ইন্দ্রপুল এলাকায় লবণের পানিতে পিচ্ছিল হওয়া রাস্তায় মোটরসাইকেল উলটে সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল গুরুতর আহত হয়। এখন থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ট্রাক দাঁড়িয়ে লবণ লোডিং-আনলোডিং করলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মহাসড়কে যে কোনো দুর্ঘটনা রোধে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হতে হবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, কোনো ঘটনাকে পুঁজি করে কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে দেওয়া হবে না। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত  রয়েছে।