হল বাড়ছে ‘ন ডরাই’-এর

বিনোদন রিপোর্ট
 

সেন্সর বোর্ডের আপত্তি, অতঃপর ৮ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি। এরপর আদালতের চৌকাঠ পর্যন্তও গড়িয়েছে! তারপরও নির্ভয়ে এগিয়ে চলছে স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রথম প্রযোজিত চলচ্চিত্র ‘ন ডরাই’। আজ থেকে ১৮টি প্রেক্ষাগৃহে চলবে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার গল্পের সিনেমাটি।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (বিপণন) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সের ৩ শাখা, ব্লকবাস্টার (যমুনা ফিউচার পার্ক), শ্যামলী (শ্যামলী) ও বলাকায় (নিউমার্কেট) চলবে ছবিটি। ঢাকার বাইরে ছবিটি দেখা যাবে সাভারের সেনা অডিটোরিয়াম, নারায়ণগঞ্জের সিনেস্কোপ, চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিন, আলমাস, সিনেমা প্যালেস, পটিয়ার ছন্দ সিনেমা, কক্সবাজারের বিজিবি অডিটোরিয়াম, সিলেটের নন্দিতা, ময়মনসিংহের ছায়াবাণী, খুলনার লিবার্টি, বরিশালের অভিরুচি, বগুড়ার মম ইন, টাঙ্গাইলের মালঞ্চ ও মানিকগঞ্জের নবীন সিনেমা হলে।

কক্সবাজারের এক তরুণ নারী সার্ফারের জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘ন ডরাই’। ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেহরা বিনতে কামাল। তিনি বলেন, ‘নারী নির্ভর সিনেমা হওয়ায় এটা আরো বেশি স্পেশাল আমার জন্য। মুক্তির পর থেকেই বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। এ সপ্তাহ থেকে হল বাড়ছে, আরো বেশি মানুষ দেখতে পারবে, এটা আনন্দের খবর।’

সিনেমাটির পরিচালক তানিম রহমান অংশু বলেন, ‘ছবিটি হলো স্বপ্ন জয়ের, নারী মুক্তির গল্প। সামাজিক অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার গল্প। তাই ছবির নাম ন ডরাই।’

সিনেমাটির প্রায় ৯০ শতাংশ দৃশ্যধারণ করা হয়েছে কক্সবাজারে। সিনেমায় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে তা সবাই যেন বুঝতে পারেন সেভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান প্রযোজক মাহবুবুর রহমান। ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন দেবের ‘বুনোহাঁস’ ও ‘পিংক’ সিনেমার চিত্রনাট্যকার কলকাতার শ্যামল সেনগুপ্ত। ছবিটিতে আরো অভিনয় করেছেন সাঈদ বাবু, শরীফুল রাজসহ অনেকে।