বরগুনা (উত্তর) প্রতিনিধি
বরগুনার আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারপ্রার্থীদের জন্য নির্মিত শৌচাগারটি বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীরা।
১৯৮২ সালে আমতলী সরকারি কলেজের মধ্যে নির্মিত থানা পাবলিক অডিটরিয়ামে উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে আমতলী থানা পাবলিক অডিটরিয়াম থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডের মধ্যে নির্মিত নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীদের জন্য আদালত চত্বরের উত্তর পাশে একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শৌচাগারের চারদিকে আগাছা ও জঙ্গলে ভরে গেছে। পানির টেপ থাকলেও তার অধিকাংশ ভাঙা। অনেক টেপ থেকে পানি পড়ছে না। কমোডগুলো নোংরা অবস্থায় পড়ে আছে। দুর্গন্ধে কেউ ভেতরে ঢুকতে পারছে না। শৌচাগারে যাওয়ার রাস্তাটিও শ্যাওলা পড়ে পিচ্ছিল হয়ে আছে। বেহাল অবস্থার কারণে অধিকাংশ বিচারপ্রার্থী এ শৌচাগারটি ব্যবহার করেন না। এ কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়েন।
বিচারপ্রার্থী মোমেনা বেগম জানান, আদালতের টয়লেটটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় অনেক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
অপর বিচারপ্রার্থী শাহ আলম বলেন, আদালতের টয়লেটে পানির কল ভাঙা, নোংরা ও দুর্গন্ধে ভেতরে ঢোকা যায় না।
বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি ও আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এ কাদের মিয়া বলেন, বিচারপ্রার্থীদের ব্যবহারের জন্য শৌচাগারটি দ্রুত সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করা খুবই জরুরি।