‘২০৩০ সালের মধ্যে  এইচআইভি শূন্যের কোঠায় আনতে হবে'

দেশে এইচআইভি/এইডসে আক্রান্ত রোগী বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠী এইচআইভি ঝুঁকিতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি। নতুন রোগীদের একটি বড় অংশ অভিবাসী কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্য। ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের কারণেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। মানুষের মাঝে বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠীর মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে এইচআইভি শূন্যের কোঠায় আনতে হবে।

রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাস ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এবং পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিএসটিসি) ও দৈনিক ইত্তেফাকের আয়োজনে ‘বাংলাদেশে এইচআইভি  ঝুঁকিতে তরুণ জনগোষ্ঠী- প্রতিরোধে করণীয়' শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

আজ শনিবার ( ২১ ডিসেম্বর) দৈনিক ইত্তেফাক কার্যালয়ে মজিদা বেগম মিলনায়তনে এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পিএসটিসির নির্বাহী পরিচালক ড. নূর মোহাম্মদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমবিডিসির ডিরেক্টর প্রফেসর ড. মো. শামিউল ইসলাম।অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দৈনিকে ইত্তেফাকের চিফ রিপোর্টার আবুল খায়ের, ড. মাহবুল আলম, প্রফেসর ড. মো. মাইনুল ইসলাম, মো. শামিম হোসেন প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এমআর