সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে রানিংমেট হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের ওপরই আস্থা রেখেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল শনিবার ২১তম জাতীয় সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের মত দলের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। ২০১৬ সালে দলের ২০তম কাউন্সিলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জায়গায় আসেন ওবায়দুল কাদের।
দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের পদে আসার পর গতকাল বিকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের এখনো অনেক কাজ বাকি। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। আমরা গণতান্ত্রিক দল। সাধারণ সম্পাদক পদে আসার মতো যোগ্যতা আমার নেই। আমি অসুস্থতা থেকে আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি। মমতাময়ী মায়ের মতো তিনি (শেখ হাসিনা) আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। কলিগরাও অনেক কষ্ট করেছেন।’ সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনগণের কাছে তিনি অঙ্গীকার করেছেন, প্রত্যেক পরিবারে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি আমরা পূরণ করব। এগুলো আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ।’
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলকে আরো গতিশীল করতে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল ফোকাস হলো-মুজিববর্ষের বিশাল প্রোগ্রাম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা। এটা আমাদের একটা বিরাট দায়িত্ব। এছাড়া ভিশন-২০২১ ও ডেল্টাপ্ল্যান বাস্তবায়নও আমাদের চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে। দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় সভাপতি শেখ হাসিনা ও দলের কাউন্সিলরসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান কাদের। পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রসঙ্গে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখনো কিছু কিছু পদ খালি আছে। আমরা আশা করছি, দুয়েকদিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার কাজ শেষ করে আমরা সবাইকে নিয়ে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করব।
এ সময় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।